ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) নতুন সচিব হিসেবে মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর-কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের খবর নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলি হামলায় নিহত ঝানু রাজনীতিবিদ আলি লারিজনির স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।
কে এই মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর? নিরাপত্তা ও সামরিক কৌশলে পারদর্শী জোলঘাদর ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো:
আইআরজিসি ব্যাকগ্রাউন্ড: তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সাবেক কমান্ডার এবং বাহিনীর জয়েন্ট স্টাফের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কৌশলগত অভিজ্ঞতা: ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি ইরানের বিচার বিভাগের কৌশলগত শাখার উপ-প্রধান ছিলেন।
প্রশাসনিক ভূমিকা: তিনি আইআরজিসির ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী বিভাগের উপ-প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন।
নিয়োগের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান বড় ধরনের নেতৃত্ব সংকটে পড়েছে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং আইআরজিসি কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর নিহত হওয়ার পর গত সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় আলি লারিজানিও প্রাণ হারান।
লারিজানি ছিলেন সংকটের সময়ে ইরানের অন্যতম প্রধান নীতিনির্ধারক। তার মৃত্যুর পর জোলঘাদরের মতো একজন কট্টরপন্থী সামরিক ব্যক্তিকে নিরাপত্তা প্রধান করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জোলঘাদরের নেতৃত্বে ইরান এখন আরও বেশি সামরিক কৌশলী ও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতি: জোলঘাদর এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিলেন যখন ইরানের সামরিক বাহিনী ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ৫ দিনের জন্য হামলা স্থগিত করে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। এই দ্বিমুখী পরিস্থিতির মাঝে জোলঘাদরের সিদ্ধান্তই হবে ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপের মূল চাবিকাঠি।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) নতুন সচিব হিসেবে মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর-কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের খবর নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলি হামলায় নিহত ঝানু রাজনীতিবিদ আলি লারিজনির স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।
কে এই মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর? নিরাপত্তা ও সামরিক কৌশলে পারদর্শী জোলঘাদর ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো:
আইআরজিসি ব্যাকগ্রাউন্ড: তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সাবেক কমান্ডার এবং বাহিনীর জয়েন্ট স্টাফের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কৌশলগত অভিজ্ঞতা: ২০২০ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি ইরানের বিচার বিভাগের কৌশলগত শাখার উপ-প্রধান ছিলেন।
প্রশাসনিক ভূমিকা: তিনি আইআরজিসির ডেপুটি কমান্ডার-ইন-চিফ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী বিভাগের উপ-প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন।
নিয়োগের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান বড় ধরনের নেতৃত্ব সংকটে পড়েছে। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং আইআরজিসি কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর নিহত হওয়ার পর গত সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় আলি লারিজানিও প্রাণ হারান।
লারিজানি ছিলেন সংকটের সময়ে ইরানের অন্যতম প্রধান নীতিনির্ধারক। তার মৃত্যুর পর জোলঘাদরের মতো একজন কট্টরপন্থী সামরিক ব্যক্তিকে নিরাপত্তা প্রধান করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জোলঘাদরের নেতৃত্বে ইরান এখন আরও বেশি সামরিক কৌশলী ও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতি: জোলঘাদর এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিলেন যখন ইরানের সামরিক বাহিনী ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ৫ দিনের জন্য হামলা স্থগিত করে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। এই দ্বিমুখী পরিস্থিতির মাঝে জোলঘাদরের সিদ্ধান্তই হবে ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপের মূল চাবিকাঠি।

আপনার মতামত লিখুন