পবিত্র উমরা পালন শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সৌদি আরব ত্যাগ করার জন্য উমরাযাত্রীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের পবিত্র হজের প্রস্তুতি নির্বিঘ্ন করতে এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্দেশনার মূল পয়েন্টগুলো:
চূড়ান্ত সময়সীমা: উমরা ভিসাধারীদের সৌদি আরব ত্যাগের শেষ তারিখ ১৮ এপ্রিল, ২০২৬।
ভিসা ও প্রবেশের নিয়ম: চলতি বছরের হজের প্রস্তুতির জন্য গত ১৯ মার্চ থেকে নতুন উমরা ভিসা প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে। যারা ইতোমধ্যে ভিসা পেয়েছেন, তাদের সৌদি আরবে প্রবেশের শেষ তারিখ ২ এপ্রিল।
অবৈধ অবস্থানের শাস্তি: ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কোনো উমরাযাত্রী অবস্থান করলে এবং কোনো নাগরিক বা প্রবাসী তাকে আশ্রয়, পরিবহন বা কর্মসংস্থান দিয়ে সহায়তা করলে তাদের জরিমানা, কারাদণ্ড এবং দেশান্তরের (ডিপোর্টেশন) মতো কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
রিপোর্টিং বাধ্যবাধকতা: উমরা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, কেউ মেয়াদের অতিরিক্ত অবস্থান করলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। তথ্য গোপন করলে বড় অংকের আর্থিক জরিমানা করা হবে।
যাত্রীদের জন্য পরামর্শ: প্রস্থানের নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৪ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকার জন্য উমরাযাত্রীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নতুন উমরা মৌসুমের সম্ভাব্য সময়: হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর পুনরায় উমরা শুরু হবে। ধারণা করা হচ্ছে, জুন মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ১৪৪৮ হিজরি সনের নতুন উমরা মৌসুমের যাত্রা শুরু হবে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
পবিত্র উমরা পালন শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সৌদি আরব ত্যাগ করার জন্য উমরাযাত্রীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের পবিত্র হজের প্রস্তুতি নির্বিঘ্ন করতে এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্দেশনার মূল পয়েন্টগুলো:
চূড়ান্ত সময়সীমা: উমরা ভিসাধারীদের সৌদি আরব ত্যাগের শেষ তারিখ ১৮ এপ্রিল, ২০২৬।
ভিসা ও প্রবেশের নিয়ম: চলতি বছরের হজের প্রস্তুতির জন্য গত ১৯ মার্চ থেকে নতুন উমরা ভিসা প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে। যারা ইতোমধ্যে ভিসা পেয়েছেন, তাদের সৌদি আরবে প্রবেশের শেষ তারিখ ২ এপ্রিল।
অবৈধ অবস্থানের শাস্তি: ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কোনো উমরাযাত্রী অবস্থান করলে এবং কোনো নাগরিক বা প্রবাসী তাকে আশ্রয়, পরিবহন বা কর্মসংস্থান দিয়ে সহায়তা করলে তাদের জরিমানা, কারাদণ্ড এবং দেশান্তরের (ডিপোর্টেশন) মতো কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
রিপোর্টিং বাধ্যবাধকতা: উমরা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, কেউ মেয়াদের অতিরিক্ত অবস্থান করলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। তথ্য গোপন করলে বড় অংকের আর্থিক জরিমানা করা হবে।
যাত্রীদের জন্য পরামর্শ: প্রস্থানের নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৪ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকার জন্য উমরাযাত্রীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নতুন উমরা মৌসুমের সম্ভাব্য সময়: হজ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর পুনরায় উমরা শুরু হবে। ধারণা করা হচ্ছে, জুন মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ১৪৪৮ হিজরি সনের নতুন উমরা মৌসুমের যাত্রা শুরু হবে।

আপনার মতামত লিখুন