মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের মাঝেই আজ বুধবার (২৫ মার্চ) ভোররাতে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে সমন্বিত হামলা চালিয়েছে ইরান ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
হিজবুল্লাহর হামলা ও ক্ষয়ক্ষতি:
সময় ও স্থান: বাংলাদেশ সময় আজ ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে উত্তর ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনা বসতি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
হতাহত: ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, লেবানন থেকে চালানো এই রকেট হামলায় ইতোমধ্যে ১ জন নিহত এবং ২ জন আহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহ আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
ইরানের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’: ৮৮তম হামলা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আজ তাদের ৮৮তম দফা বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সম্পন্ন করেছে। এই অভিযানের মূল দিকগুলো হলো:
লক্ষ্যবস্তু (ইসরায়েল): তেল আবিব, কিরিয়াত শমোনা এবং বনেই ব্রাক এলাকায় আঘাত হানা হয়েছে। বিশেষ করে সাফেদ শহরের উত্তরের একটি ‘সামরিক কমান্ড কেন্দ্র’ এবং বেশ কিছু কৌশলগত সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান।
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা কুয়েত, জর্ডান এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকেও এই দফায় লক্ষ্যবস্তু করেছে।
উদ্দেশ্য: ইরান বলছে, উত্তর ফিলিস্তিন ও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর সমাবেশস্থলগুলোকে ছত্রভঙ্গ করতেই এই ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ পরিচালনা করা হচ্ছে।
রণক্ষেত্রের বর্তমান চিত্র: ফার্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে হামলার কাজে ব্যবহৃত ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এই হামলার ফলে উত্তর ইসরায়েলের সীমান্ত অঞ্চলগুলো এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
একদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের ১৫ দফা শর্ত এবং অন্যদিকে ইরানের ৫ দফা শর্তের দড়িটানাহানি চললেও মাঠ পর্যায়ে যুদ্ধের তীব্রতা কমছে না। বরং হিজবুল্লাহ ও ইরানের এই যৌথ হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের মাঝেই আজ বুধবার (২৫ মার্চ) ভোররাতে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে সমন্বিত হামলা চালিয়েছে ইরান ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
হিজবুল্লাহর হামলা ও ক্ষয়ক্ষতি:
সময় ও স্থান: বাংলাদেশ সময় আজ ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে উত্তর ইসরায়েলের কিরিয়াত শমোনা বসতি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
হতাহত: ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, লেবানন থেকে চালানো এই রকেট হামলায় ইতোমধ্যে ১ জন নিহত এবং ২ জন আহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহ আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
ইরানের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’: ৮৮তম হামলা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আজ তাদের ৮৮তম দফা বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সম্পন্ন করেছে। এই অভিযানের মূল দিকগুলো হলো:
লক্ষ্যবস্তু (ইসরায়েল): তেল আবিব, কিরিয়াত শমোনা এবং বনেই ব্রাক এলাকায় আঘাত হানা হয়েছে। বিশেষ করে সাফেদ শহরের উত্তরের একটি ‘সামরিক কমান্ড কেন্দ্র’ এবং বেশ কিছু কৌশলগত সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান।
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা কুয়েত, জর্ডান এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকেও এই দফায় লক্ষ্যবস্তু করেছে।
উদ্দেশ্য: ইরান বলছে, উত্তর ফিলিস্তিন ও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর সমাবেশস্থলগুলোকে ছত্রভঙ্গ করতেই এই ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ পরিচালনা করা হচ্ছে।
রণক্ষেত্রের বর্তমান চিত্র: ফার্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে হামলার কাজে ব্যবহৃত ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। এই হামলার ফলে উত্তর ইসরায়েলের সীমান্ত অঞ্চলগুলো এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
একদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের ১৫ দফা শর্ত এবং অন্যদিকে ইরানের ৫ দফা শর্তের দড়িটানাহানি চললেও মাঠ পর্যায়ে যুদ্ধের তীব্রতা কমছে না। বরং হিজবুল্লাহ ও ইরানের এই যৌথ হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল।

আপনার মতামত লিখুন