লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর পৃথক বিমান হামলায় আজ বুধবার (২৫ মার্চ) অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার অংশ হিসেবে সিডন এলাকা এবং একটি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে এই হামলা চালানো হয় বলে এএফপি (AFP) নিশ্চিত করেছে।
হামলার বিস্তারিত ও হতাহত:
আদলুন শহর: দক্ষিণ লেবাননের এই শহরে ইসরায়েলি হামলায় ৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
মিহ মিহ শরণার্থী শিবির: শিবিরের একটি আবাসিক ভবনে সরাসরি হামলায় ২ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছেন।
হাব্বুশ শহর: এই এলাকায় চালানো অপর এক হামলায় ৩ জন নিহত এবং ১৮ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ (NNA)।
ইসরায়েলের সামরিক লক্ষ্য ও কৌশল: ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র আভিচাই আদরাই এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরগুলোতে হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা আরও তীব্র করা হচ্ছে। ইসরায়েলের বর্তমান পরিকল্পনা হলো:
লিতানি নদী পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ: সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার ভেতরে লিতানি নদী পর্যন্ত এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া।
বাসিন্দাদের সতর্কবার্তা: হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এলাকাগুলো থেকে সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মানবিক বিপর্যয়ের পরিসংখ্যান: লেবানন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই বিধ্বংসী অভিযানে এ পর্যন্ত:
মোট নিহত: ১,০৭২ জন।
বাস্তুচ্যুত: ১০ লাখের বেশি মানুষ।
পাল্টা হামলা ও বর্তমান উত্তেজনা: লেবানন থেকে ছোড়া রকেটের আঘাতে গতকাল ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে এক নারী নিহত হয়েছেন। আজ সকালেও হিজবুল্লাহর হামলার পর উত্তর ইসরায়েলজুড়ে সতর্ক সাইরেন বাজতে দেখা গেছে। বিশেষ করে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর আওতায় ইরান ও হিজবুল্লাহর সমন্বিত আক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর পৃথক বিমান হামলায় আজ বুধবার (২৫ মার্চ) অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার অংশ হিসেবে সিডন এলাকা এবং একটি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে এই হামলা চালানো হয় বলে এএফপি (AFP) নিশ্চিত করেছে।
হামলার বিস্তারিত ও হতাহত:
আদলুন শহর: দক্ষিণ লেবাননের এই শহরে ইসরায়েলি হামলায় ৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
মিহ মিহ শরণার্থী শিবির: শিবিরের একটি আবাসিক ভবনে সরাসরি হামলায় ২ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছেন।
হাব্বুশ শহর: এই এলাকায় চালানো অপর এক হামলায় ৩ জন নিহত এবং ১৮ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ (NNA)।
ইসরায়েলের সামরিক লক্ষ্য ও কৌশল: ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র আভিচাই আদরাই এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরগুলোতে হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা আরও তীব্র করা হচ্ছে। ইসরায়েলের বর্তমান পরিকল্পনা হলো:
লিতানি নদী পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ: সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার ভেতরে লিতানি নদী পর্যন্ত এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া।
বাসিন্দাদের সতর্কবার্তা: হিজবুল্লাহর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এলাকাগুলো থেকে সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মানবিক বিপর্যয়ের পরিসংখ্যান: লেবানন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই বিধ্বংসী অভিযানে এ পর্যন্ত:
মোট নিহত: ১,০৭২ জন।
বাস্তুচ্যুত: ১০ লাখের বেশি মানুষ।
পাল্টা হামলা ও বর্তমান উত্তেজনা: লেবানন থেকে ছোড়া রকেটের আঘাতে গতকাল ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে এক নারী নিহত হয়েছেন। আজ সকালেও হিজবুল্লাহর হামলার পর উত্তর ইসরায়েলজুড়ে সতর্ক সাইরেন বাজতে দেখা গেছে। বিশেষ করে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর আওতায় ইরান ও হিজবুল্লাহর সমন্বিত আক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন