ফরিদপুর: জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আপন ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও আওয়ামী লীগ নেতা ডা. গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন রেলগেট এলাকায় এই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
নিহত মিন্টু (৫২) অভিযুক্ত ডা. গোলাম কবিরের সহোদর ছোট ভাই। অভিযুক্ত ডা. কবির জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপকমিটির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য। উল্লেখ্য, তিনি গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘ ২০-২২ বছর ধরে বিবাদ চলছিল। বুধবার সকালে ডা. কবির তার ছোট ভাই মিন্টুকে চতুল ফায়ার সার্ভিসের পেছনের রেলগেট এলাকায় ডেকে নিয়ে যান। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এর একপর্যায়ে ডা. কবির তার লাইসেন্স করা শটগান দিয়ে মিন্টুকে লক্ষ্য করে পরপর ছয়টি গুলি ছোড়েন, যার ফলে ঘটনাস্থলেই মিন্টুর মৃত্যু হয়।
গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডা. গোলাম কবিরকে হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দেয় এবং তার ব্যক্তিগত গাড়িটি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, জমি সংক্রান্ত পুরনো শত্রুতার জেরে এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত তার নিজস্ব আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ছোট ভাইকে গুলি করেছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুর: জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আপন ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও আওয়ামী লীগ নেতা ডা. গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন রেলগেট এলাকায় এই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
নিহত মিন্টু (৫২) অভিযুক্ত ডা. গোলাম কবিরের সহোদর ছোট ভাই। অভিযুক্ত ডা. কবির জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপকমিটির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য। উল্লেখ্য, তিনি গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘ ২০-২২ বছর ধরে বিবাদ চলছিল। বুধবার সকালে ডা. কবির তার ছোট ভাই মিন্টুকে চতুল ফায়ার সার্ভিসের পেছনের রেলগেট এলাকায় ডেকে নিয়ে যান। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এর একপর্যায়ে ডা. কবির তার লাইসেন্স করা শটগান দিয়ে মিন্টুকে লক্ষ্য করে পরপর ছয়টি গুলি ছোড়েন, যার ফলে ঘটনাস্থলেই মিন্টুর মৃত্যু হয়।
গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডা. গোলাম কবিরকে হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। এসময় উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দেয় এবং তার ব্যক্তিগত গাড়িটি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, জমি সংক্রান্ত পুরনো শত্রুতার জেরে এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত তার নিজস্ব আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ছোট ভাইকে গুলি করেছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে এবং বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন