গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ আনালের তাড়ি গ্রামে জমির ভাগ কম পাওয়ার অভিমানে নিজ বাবার কবর ভাঙচুর করেছেন শাহ আলম মিয়া শালু নামে এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার দুপুরে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত শাহ আলম ওই গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মিয়ার পঞ্চম ছেলে এবং তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মান্নান মিয়া জীবদ্দশায় তার ৪ বিঘা জমি পাঁচ ছেলের মধ্যে বণ্টন করে দিয়ে যান। সেই বণ্টন অনুযায়ী বাবার কবরস্থানটি দ্বিতীয় ছেলে ইকবাল মিয়ার অংশে পড়ে। তবে শাহ আলমের দাবি, তার মেজ ভাইকে জমি বেশি দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষোভ থেকে তিনি মঙ্গলবার দুপুরে বাবার কবরের ওপর উঠে ঘেরা দেওয়া বেড়া ও স্থাপনা ভাঙচুর করেন এবং ওই জমি নিজের বলে দাবি করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শাহ আলম মিয়া সেনাসদস্য হওয়ার সুবাদে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন এবং প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দিতেন। ঘটনার পর থেকে তিনি মোবাইল ফোন বন্ধ করে গা-ঢাকা দিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য আব্দুল হাই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় এবং অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে উল্লেখ করেছেন। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ আনালের তাড়ি গ্রামে জমির ভাগ কম পাওয়ার অভিমানে নিজ বাবার কবর ভাঙচুর করেছেন শাহ আলম মিয়া শালু নামে এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার দুপুরে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত শাহ আলম ওই গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মিয়ার পঞ্চম ছেলে এবং তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মান্নান মিয়া জীবদ্দশায় তার ৪ বিঘা জমি পাঁচ ছেলের মধ্যে বণ্টন করে দিয়ে যান। সেই বণ্টন অনুযায়ী বাবার কবরস্থানটি দ্বিতীয় ছেলে ইকবাল মিয়ার অংশে পড়ে। তবে শাহ আলমের দাবি, তার মেজ ভাইকে জমি বেশি দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষোভ থেকে তিনি মঙ্গলবার দুপুরে বাবার কবরের ওপর উঠে ঘেরা দেওয়া বেড়া ও স্থাপনা ভাঙচুর করেন এবং ওই জমি নিজের বলে দাবি করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শাহ আলম মিয়া সেনাসদস্য হওয়ার সুবাদে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন এবং প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দিতেন। ঘটনার পর থেকে তিনি মোবাইল ফোন বন্ধ করে গা-ঢাকা দিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য আব্দুল হাই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে সামাজিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় এবং অত্যন্ত লজ্জাজনক বলে উল্লেখ করেছেন। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন