ইরানের সাথে তীব্র উত্তজনা এবং শান্তি আলোচনার প্রস্তাবের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দিলেও পেন্টাগন সামরিক তৎপরতা আরও জোরদার করছে। রয়টার্সের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর এলিট ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার সদস্যকে এই অঞ্চলে মোতায়েন করা হতে পারে, যারা বর্তমানে নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে অবস্থান করছেন। যদিও হোয়াইট হাউস থেকে সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই এই সেনা মোতায়েন পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে যে ইরানের সঙ্গে ‘গঠনমূলক আলোচনা’ চলছে, তবে তেহরান এই দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। গত সপ্তাহেই ইউএসএস বক্সার যুদ্ধজাহাজের মাধ্যমে হাজারো মেরিন ও নৌসেনা সদস্যকে ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। একদিকে ট্রাম্প পাকিস্তানের মাধ্যমে ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, অন্যদিকে পেন্টাগনের এই বিপুল সেনা সমাবেশ রণক্ষেত্রে এক স্ববিরোধী পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ইরান ইতোমধ্যেই হুশিয়ারি দিয়েছে যে তারা ‘চোখের বদলে মাথা নেবে’ এবং হরমুজ প্রণালিতে শত্রুভাবাপন্ন কোনো দেশের জাহাজকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
এই ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই দক্ষিণ লেবানন দখল পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে কানাডা ও ফ্রান্স। ইসরায়েলি বাহিনী লিতানি নদী পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে একটি জরুরি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভারতের ভূমিকার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। আন্তর্জাতিক মহল এখন নজর রাখছে ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাব এবং পেন্টাগনের এই নতুন সেনা মোতায়েন শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
ইরানের সাথে তীব্র উত্তজনা এবং শান্তি আলোচনার প্রস্তাবের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দিলেও পেন্টাগন সামরিক তৎপরতা আরও জোরদার করছে। রয়টার্সের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর এলিট ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার সদস্যকে এই অঞ্চলে মোতায়েন করা হতে পারে, যারা বর্তমানে নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে অবস্থান করছেন। যদিও হোয়াইট হাউস থেকে সরাসরি কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই এই সেনা মোতায়েন পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে যে ইরানের সঙ্গে ‘গঠনমূলক আলোচনা’ চলছে, তবে তেহরান এই দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। গত সপ্তাহেই ইউএসএস বক্সার যুদ্ধজাহাজের মাধ্যমে হাজারো মেরিন ও নৌসেনা সদস্যকে ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। একদিকে ট্রাম্প পাকিস্তানের মাধ্যমে ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছেন, অন্যদিকে পেন্টাগনের এই বিপুল সেনা সমাবেশ রণক্ষেত্রে এক স্ববিরোধী পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ইরান ইতোমধ্যেই হুশিয়ারি দিয়েছে যে তারা ‘চোখের বদলে মাথা নেবে’ এবং হরমুজ প্রণালিতে শত্রুভাবাপন্ন কোনো দেশের জাহাজকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
এই ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই দক্ষিণ লেবানন দখল পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে কানাডা ও ফ্রান্স। ইসরায়েলি বাহিনী লিতানি নদী পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে একটি জরুরি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভারতের ভূমিকার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। আন্তর্জাতিক মহল এখন নজর রাখছে ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাব এবং পেন্টাগনের এই নতুন সেনা মোতায়েন শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়।

আপনার মতামত লিখুন