দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। রয়টার্স/ইপসোস-এর সর্বশেষ জনমত জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, যা গত সপ্তাহেও ছিল ৪০ শতাংশ। মূলত জ্বালানিপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ নিয়ে জনমনে সৃষ্ট তীব্র অসন্তোষই এই ধসের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ওপর আস্থা রাখছেন মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ, যা তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘অহেতুক যুদ্ধে’ না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও ইরান ইস্যু ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, ৬১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানে হামলার বিপক্ষে মত দিয়েছেন এবং ৪৬ শতাংশ মনে করেন এই যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও অনিরাপদ করে তুলবে। যদিও ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরানের সাথে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চলছে এবং হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে, তবে ইরান এই দাবিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়েই উল্টো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অবকাঠামোতে আঘাত করা হলে তারা ‘চোখের বদলে মাথা’ নেবেন।
এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা জনমনে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কা বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারত ও পাকিস্তান এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে একটি উচ্চপর্যায়ের সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে ভারত সরকার। ইরান ইতোমধ্যেই ভারতের ওপর তাদের আস্থার কথা জানিয়েছে এবং দেশটিকে বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পেতে আগ্রহী বলে উল্লেখ করেছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। রয়টার্স/ইপসোস-এর সর্বশেষ জনমত জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, যা গত সপ্তাহেও ছিল ৪০ শতাংশ। মূলত জ্বালানিপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ নিয়ে জনমনে সৃষ্ট তীব্র অসন্তোষই এই ধসের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ওপর আস্থা রাখছেন মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ, যা তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘অহেতুক যুদ্ধে’ না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও ইরান ইস্যু ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, ৬১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানে হামলার বিপক্ষে মত দিয়েছেন এবং ৪৬ শতাংশ মনে করেন এই যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও অনিরাপদ করে তুলবে। যদিও ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরানের সাথে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চলছে এবং হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে, তবে ইরান এই দাবিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়েই উল্টো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অবকাঠামোতে আঘাত করা হলে তারা ‘চোখের বদলে মাথা’ নেবেন।
এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা জনমনে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কা বাড়িয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারত ও পাকিস্তান এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে একটি উচ্চপর্যায়ের সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে ভারত সরকার। ইরান ইতোমধ্যেই ভারতের ওপর তাদের আস্থার কথা জানিয়েছে এবং দেশটিকে বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পেতে আগ্রহী বলে উল্লেখ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন