মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে জরুরি ফোনালাপ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। আজ বুধবার সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, আলাপে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাকিস্তানের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন শরিফ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সৌদি আরবের অখণ্ডতা ক্ষুণ্ন করে এমন যেকোনো ইরানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সবসময় সৌদির পাশে থাকবে। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান সংকটে সৌদি আরবের প্রদর্শিত সংযমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দ্রুত উত্তেজনা নিরসনের ওপর জোর দেন।
এই ফোনালাপে আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব নিরাপত্তার ওপর যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উভয় নেতা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছেন, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে পাকিস্তানের নেওয়া কূটনৈতিক উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি যুবরাজকে অবহিত করেছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলো সরাসরি জড়িত না থাকলেও ইরানের পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ওই অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাকিস্তান যেমন সৌদির সাথে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার আয়োজন করতেও নিজেদের আগ্রহের কথা জানিয়েছে।
এদিকে, যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো ১৫ দফার প্রস্তাব এবং ইরানের পাল্টা ৫ দফা দাবির মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও গতকালই হরমুজ প্রণালিতে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে পাকিস্তানের একটি তেলবাহী জাহাজকে আটকে দিয়ে ঘুরপথে পাঠিয়ে দিয়েছে ইরানের আইআরজিসি। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ চাপে থাকা ট্রাম্প যখন ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’র দাবি করছেন, তখন ইরান একে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়ে ‘চোখের বদলে মাথা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। এমন জটিল সমীকরণে ভারতও আজ বিকেলে এক সর্বদলীয় বৈঠকের মাধ্যমে এই যুদ্ধ ইস্যুতে তাদের কূটনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতে যাচ্ছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে জরুরি ফোনালাপ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। আজ বুধবার সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, আলাপে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাকিস্তানের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন শরিফ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সৌদি আরবের অখণ্ডতা ক্ষুণ্ন করে এমন যেকোনো ইরানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সবসময় সৌদির পাশে থাকবে। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান সংকটে সৌদি আরবের প্রদর্শিত সংযমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দ্রুত উত্তেজনা নিরসনের ওপর জোর দেন।
এই ফোনালাপে আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব নিরাপত্তার ওপর যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উভয় নেতা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছেন, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে পাকিস্তানের নেওয়া কূটনৈতিক উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি যুবরাজকে অবহিত করেছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলো সরাসরি জড়িত না থাকলেও ইরানের পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ওই অঞ্চলে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাকিস্তান যেমন সৌদির সাথে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার আয়োজন করতেও নিজেদের আগ্রহের কথা জানিয়েছে।
এদিকে, যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাঠানো ১৫ দফার প্রস্তাব এবং ইরানের পাল্টা ৫ দফা দাবির মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও গতকালই হরমুজ প্রণালিতে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে পাকিস্তানের একটি তেলবাহী জাহাজকে আটকে দিয়ে ঘুরপথে পাঠিয়ে দিয়েছে ইরানের আইআরজিসি। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ চাপে থাকা ট্রাম্প যখন ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’র দাবি করছেন, তখন ইরান একে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়ে ‘চোখের বদলে মাথা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। এমন জটিল সমীকরণে ভারতও আজ বিকেলে এক সর্বদলীয় বৈঠকের মাধ্যমে এই যুদ্ধ ইস্যুতে তাদের কূটনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন