মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংকটের মধ্যে ইরানকে শান্তি ও কূটনীতির পথে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে চীন। মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে এক ফোনালাপে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই স্পষ্ট করে বলেন, ‘সংলাপ সবসময় যুদ্ধের চেয়ে ভালো’। তেহরানের অনুরোধে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় ওয়াং ই জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো জটিল সমস্যার সমাধান কেবল কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব, শক্তির ব্যবহার কোনো স্থায়ী সমাধান আনতে পারে না। চীন অবিলম্বে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসার এবং একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতির তাগিদ দিয়েছে।
ইরান এই ফোনালাপে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে যে, তারা কেবল সাময়িক কোনো বিরতি নয়, বরং এই সংঘাতের স্থায়ী সমাপ্তি চায়। চীনের পাশাপাশি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইসরায়েলের ‘অটল ও কঠোর অবস্থান’ শান্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এদিকে মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলআত্তিও তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
রণক্ষেত্রে চরম উত্তজনা আর পাল্টাপাল্টি হামলার দাবির মধ্যেই আন্তর্জাতিক এই কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে ইরানের ‘সঠিক মানুষের’ সঙ্গে তার ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে, অন্যদিকে তেহরান সেই দাবি অস্বীকার করে ‘চোখের বদলে মাথা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। এমন এক দ্বিমুখী পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজার নিয়ে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে ভারতের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংকটের মধ্যে ইরানকে শান্তি ও কূটনীতির পথে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে চীন। মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে এক ফোনালাপে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই স্পষ্ট করে বলেন, ‘সংলাপ সবসময় যুদ্ধের চেয়ে ভালো’। তেহরানের অনুরোধে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় ওয়াং ই জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো জটিল সমস্যার সমাধান কেবল কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব, শক্তির ব্যবহার কোনো স্থায়ী সমাধান আনতে পারে না। চীন অবিলম্বে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসার এবং একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতির তাগিদ দিয়েছে।
ইরান এই ফোনালাপে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে যে, তারা কেবল সাময়িক কোনো বিরতি নয়, বরং এই সংঘাতের স্থায়ী সমাপ্তি চায়। চীনের পাশাপাশি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ইসরায়েলের ‘অটল ও কঠোর অবস্থান’ শান্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এদিকে মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলআত্তিও তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
রণক্ষেত্রে চরম উত্তজনা আর পাল্টাপাল্টি হামলার দাবির মধ্যেই আন্তর্জাতিক এই কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে ইরানের ‘সঠিক মানুষের’ সঙ্গে তার ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে, অন্যদিকে তেহরান সেই দাবি অস্বীকার করে ‘চোখের বদলে মাথা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। এমন এক দ্বিমুখী পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজার নিয়ে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে ভারতের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন