ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসনের কঠোর নিন্দা জানানোয় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের দৃঢ় অবস্থানের প্রশংসা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (২৫ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তুর্কি ভাষায় দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় তিনি এরদোয়ানকে ‘প্রিয় ভাই’ সম্বোধন করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, “আগ্রাসী ইহুদিবাদী ইসরায়েলের নিন্দা জানানোর ক্ষেত্রে তুরস্কের অনড় অবস্থান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ভ্রাতৃপ্রতিম তুর্কি জাতি দীর্ঘকাল ধরে মুসলিম বিশ্বের সাথে সংহতি বজায় রেখে চলেছে এবং আমরা এই সম্মানজনক পথে চলা অব্যাহত রাখব।”
তুরস্কের এই সংহতি এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত পাল্টাচ্ছে। একদিকে ইরান ‘মুসলিম সামরিক জোট’ গঠনের ডাক দিয়েছে, অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরানের সাথে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চলছে। তবে ওভাল অফিসে নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় এই যুদ্ধ শুরু হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নে ওয়াশিংটনে তোলপাড় চলছে। এরই মধ্যে পেন্টাগন অস্ত্র উৎপাদন ‘যুদ্ধকালীন পর্যায়ে’ নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং ইরান দাবি করেছে তারা মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতেও উত্তজনা কমেনি; ইরান প্রতিটি জাহাজ থেকে প্রায় ২৪ কোটি টাকা ‘টোল’ আদায় শুরু করেছে এবং আধুনিক মাইন স্থাপন করে জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এমন জটিল পরিস্থিতিতে আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে ভারত সরকারের ডাকা উচ্চপর্যায়ের সর্বদলীয় বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরান ইতোমধ্যেই ভারতের ওপর তাদের আস্থার কথা জানিয়েছে এবং নয়াদিল্লিকে এই সংকটের অন্যতম প্রধান ও বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসনের কঠোর নিন্দা জানানোয় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের দৃঢ় অবস্থানের প্রশংসা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (২৫ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তুর্কি ভাষায় দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় তিনি এরদোয়ানকে ‘প্রিয় ভাই’ সম্বোধন করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পেজেশকিয়ান বলেন, “আগ্রাসী ইহুদিবাদী ইসরায়েলের নিন্দা জানানোর ক্ষেত্রে তুরস্কের অনড় অবস্থান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ভ্রাতৃপ্রতিম তুর্কি জাতি দীর্ঘকাল ধরে মুসলিম বিশ্বের সাথে সংহতি বজায় রেখে চলেছে এবং আমরা এই সম্মানজনক পথে চলা অব্যাহত রাখব।”
তুরস্কের এই সংহতি এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত পাল্টাচ্ছে। একদিকে ইরান ‘মুসলিম সামরিক জোট’ গঠনের ডাক দিয়েছে, অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন যে তেহরানের সাথে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চলছে। তবে ওভাল অফিসে নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় এই যুদ্ধ শুরু হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নে ওয়াশিংটনে তোলপাড় চলছে। এরই মধ্যে পেন্টাগন অস্ত্র উৎপাদন ‘যুদ্ধকালীন পর্যায়ে’ নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং ইরান দাবি করেছে তারা মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতেও উত্তজনা কমেনি; ইরান প্রতিটি জাহাজ থেকে প্রায় ২৪ কোটি টাকা ‘টোল’ আদায় শুরু করেছে এবং আধুনিক মাইন স্থাপন করে জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এমন জটিল পরিস্থিতিতে আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে ভারত সরকারের ডাকা উচ্চপর্যায়ের সর্বদলীয় বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরান ইতোমধ্যেই ভারতের ওপর তাদের আস্থার কথা জানিয়েছে এবং নয়াদিল্লিকে এই সংকটের অন্যতম প্রধান ও বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন