ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আকস্মিক শান্তি আলোচনার প্রস্তাবে গভীর উদ্বেগে পড়েছে ইসরায়েল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে কতটা ‘আপস’ করবে, তা নিয়ে তেল আবিবের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। বিশেষ করে প্রস্তাবিত ১৫ দফার পরিকল্পনা এবং মাসব্যাপী সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগেই ইরানকে আরও দুর্বল করতে চায় ইসরায়েল। রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, চুক্তির শর্তে তাদের নিরাপত্তা স্বার্থ হয়তো পুরোপুরি রক্ষিত হবে না।
ইসরায়েলের প্রধান উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৫০ কেজি ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ। এই ইউরেনিয়াম কি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে, নাকি তৃতীয় কোনো দেশের হাতে তুলে দেওয়া হবে—তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। এছাড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ হবে কিনা, তা নিয়েও সন্দিহান নেতানিয়াহু সরকার। ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের ভয়, ইরান যেকোনো সময় পুনরায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। এই আলোচনার আবহের মধ্যেই ইসরায়েল আশা করছে, চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে তারা ইরানে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পর্যাপ্ত সময় পাবে।
রণক্ষেত্রে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পেন্টাগন অস্ত্র উৎপাদন ‘যুদ্ধকালীন পর্যায়ে’ নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং ইরান দাবি করেছে তারা মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ইসরায়েলবিরোধী অনড় অবস্থানের প্রশংসা করেছে তেহরান। এমন এক জটিল পরিস্থিতিতে ভারত আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভারতের ভূমিকার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। ইরান ইতোমধ্যেই নয়াদিল্লিকে এই সংকটের অন্যতম প্রধান ও বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আকস্মিক শান্তি আলোচনার প্রস্তাবে গভীর উদ্বেগে পড়েছে ইসরায়েল। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে কতটা ‘আপস’ করবে, তা নিয়ে তেল আবিবের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। বিশেষ করে প্রস্তাবিত ১৫ দফার পরিকল্পনা এবং মাসব্যাপী সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগেই ইরানকে আরও দুর্বল করতে চায় ইসরায়েল। রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, চুক্তির শর্তে তাদের নিরাপত্তা স্বার্থ হয়তো পুরোপুরি রক্ষিত হবে না।
ইসরায়েলের প্রধান উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৫০ কেজি ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ। এই ইউরেনিয়াম কি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে, নাকি তৃতীয় কোনো দেশের হাতে তুলে দেওয়া হবে—তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। এছাড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ হবে কিনা, তা নিয়েও সন্দিহান নেতানিয়াহু সরকার। ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের ভয়, ইরান যেকোনো সময় পুনরায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। এই আলোচনার আবহের মধ্যেই ইসরায়েল আশা করছে, চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে তারা ইরানে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পর্যাপ্ত সময় পাবে।
রণক্ষেত্রে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পেন্টাগন অস্ত্র উৎপাদন ‘যুদ্ধকালীন পর্যায়ে’ নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং ইরান দাবি করেছে তারা মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ইসরায়েলবিরোধী অনড় অবস্থানের প্রশংসা করেছে তেহরান। এমন এক জটিল পরিস্থিতিতে ভারত আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে, যেখানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভারতের ভূমিকার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। ইরান ইতোমধ্যেই নয়াদিল্লিকে এই সংকটের অন্যতম প্রধান ও বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন