চার সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা ভয়াবহ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাবটি পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে পাকিস্তানের একাধিক জ্যেষ্ঠ সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসামা বিন জাভাইদের রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক বৈঠকের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তবে এই শান্তি প্রস্তাবের জবাবে ইরানও তাদের নিজস্ব পাঁচটি কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান স্পষ্ট করেছে যে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় তাদের যে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এছাড়া ইরানের ওপর থেকে সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে পুনরায় হামলা না করার আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তাও চেয়েছে তেহরান। ইরানের এই পাল্টা দাবি এবং ট্রাম্পের ১৫ দফার প্রস্তাব এখন আলোচনার মূল কেন্দ্রে রয়েছে।
এই কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইসরায়েলি শিবিরে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। তেল আবিবের নীতিনির্ধারকরা আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্প তার রাজনৈতিক স্বার্থে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে বড় ধরনের আপস করতে পারেন। অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা কমাতে ভারত আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে একটি জরুরি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে। পাকিস্তান ও ভারতের এই সক্রিয় মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
চার সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা ভয়াবহ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাবটি পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে পাকিস্তানের একাধিক জ্যেষ্ঠ সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসামা বিন জাভাইদের রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক বৈঠকের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। তবে এই শান্তি প্রস্তাবের জবাবে ইরানও তাদের নিজস্ব পাঁচটি কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান স্পষ্ট করেছে যে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় তাদের যে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এছাড়া ইরানের ওপর থেকে সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে পুনরায় হামলা না করার আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তাও চেয়েছে তেহরান। ইরানের এই পাল্টা দাবি এবং ট্রাম্পের ১৫ দফার প্রস্তাব এখন আলোচনার মূল কেন্দ্রে রয়েছে।
এই কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইসরায়েলি শিবিরে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। তেল আবিবের নীতিনির্ধারকরা আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্প তার রাজনৈতিক স্বার্থে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে বড় ধরনের আপস করতে পারেন। অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা কমাতে ভারত আজ বিকেলে নয়াদিল্লিতে একটি জরুরি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছে। পাকিস্তান ও ভারতের এই সক্রিয় মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসনে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন