ঢাকা নিউজ

যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ইরানের



যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ইরানের
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননকেও যুক্ত করার শর্ত দিয়েছে ইরান। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরান স্পষ্ট করেছে যে, ইরানের ওপর হামলা বন্ধের পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলি সামরিক অভিযানও পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আসা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তারা এখনো খতিয়ে দেখছেন এবং এটি সরাসরি নাকচ করে দেওয়া হয়নি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও স্বীকার করেছেন যে, বিভিন্ন বন্ধুপ্রতিম দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে একের পর এক বার্তা পাঠাচ্ছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই ইরান এমন একটি সমন্বিত চুক্তির জন্য চাপ দিচ্ছে যেখানে লেবানন প্রসঙ্গটি জোরালোভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফেরাতে হলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ইরানের সহায়তা বন্ধ এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা জরুরি। অন্যদিকে ইসরায়েলি সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ইরানে হামলা বন্ধ হলেও লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকতে পারে। ইসরায়েল বর্তমানে ইরানের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনার বিষয়ও অস্বীকার করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে এ পর্যন্ত এক হাজার ৯৪ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১২১ জন শিশু। এছাড়া যুদ্ধের ভয়াবহতায় দেশটিতে ১২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এমন মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে ইরান এখন লেবানন ও হিজবুল্লাহর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে যুদ্ধবিরতির প্রধান শর্ত হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬


যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ইরানের

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননকেও যুক্ত করার শর্ত দিয়েছে ইরান। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরান স্পষ্ট করেছে যে, ইরানের ওপর হামলা বন্ধের পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলি সামরিক অভিযানও পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আসা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তারা এখনো খতিয়ে দেখছেন এবং এটি সরাসরি নাকচ করে দেওয়া হয়নি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও স্বীকার করেছেন যে, বিভিন্ন বন্ধুপ্রতিম দেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে একের পর এক বার্তা পাঠাচ্ছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই ইরান এমন একটি সমন্বিত চুক্তির জন্য চাপ দিচ্ছে যেখানে লেবানন প্রসঙ্গটি জোরালোভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ফেরাতে হলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ইরানের সহায়তা বন্ধ এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা জরুরি। অন্যদিকে ইসরায়েলি সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ইরানে হামলা বন্ধ হলেও লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকতে পারে। ইসরায়েল বর্তমানে ইরানের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনার বিষয়ও অস্বীকার করেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে এ পর্যন্ত এক হাজার ৯৪ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১২১ জন শিশু। এছাড়া যুদ্ধের ভয়াবহতায় দেশটিতে ১২ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এমন মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে ইরান এখন লেবানন ও হিজবুল্লাহর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে যুদ্ধবিরতির প্রধান শর্ত হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ