যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। বুধবার (২৫ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয় যে, বর্তমান চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আমেরিকার দেওয়া প্রস্তাবটিতে নেতিবাচক সাড়া দিয়েছে ইরান। ওই কর্মকর্তা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ তখনই শেষ হবে যখন ইরান তা শেষ করার সিদ্ধান্ত নেবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছায় নয়।
এদিকে রণক্ষেত্রে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরান দাবি করেছে, তাদের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ৮০তম দফায় ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে এই আক্রমণকে চলমান সংঘাতের পাল্টা জবাব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর কিরিয়াত শমোনায় লেবানন থেকে ছোঁড়া একটি ক্লাস্টার বা গুচ্ছ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। ইসরায়েলি পুলিশ জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি আবাসিক এলাকায় পড়েছে এবং সেখানে কোনো অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইতোমধ্যেই কিরিয়াত শমোনাসহ ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি স্থানে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
আমেরিকার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং পাল্টাপাল্টি হামলার এই ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। একদিকে ওয়াশিংটন কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের দাবি করছে, অন্যদিকে তেহরান তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর অনড় রয়েছে। এই অচলাবস্থা নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। বুধবার (২৫ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয় যে, বর্তমান চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আমেরিকার দেওয়া প্রস্তাবটিতে নেতিবাচক সাড়া দিয়েছে ইরান। ওই কর্মকর্তা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ তখনই শেষ হবে যখন ইরান তা শেষ করার সিদ্ধান্ত নেবে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইচ্ছায় নয়।
এদিকে রণক্ষেত্রে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরান দাবি করেছে, তাদের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ৮০তম দফায় ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে এই আক্রমণকে চলমান সংঘাতের পাল্টা জবাব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর কিরিয়াত শমোনায় লেবানন থেকে ছোঁড়া একটি ক্লাস্টার বা গুচ্ছ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। ইসরায়েলি পুলিশ জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি আবাসিক এলাকায় পড়েছে এবং সেখানে কোনো অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইতোমধ্যেই কিরিয়াত শমোনাসহ ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি স্থানে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
আমেরিকার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং পাল্টাপাল্টি হামলার এই ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। একদিকে ওয়াশিংটন কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের দাবি করছে, অন্যদিকে তেহরান তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর অনড় রয়েছে। এই অচলাবস্থা নিরসনে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

আপনার মতামত লিখুন