যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করার পর একই পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। বুধবার এক টেলিভিশন ভাষণে হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম স্পষ্ট করেছেন যে, ইসরায়েলি হামলা ও গোলাবর্ষণ চলাকালীন কোনো আলোচনায় বসার অর্থ হলো ‘চাপিয়ে দেওয়া আত্মসমর্পণ’। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের যোদ্ধারা যেকোনো মূল্যে ‘সীমাহীন’ লড়াই চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।
নাঈম কাসেম তার ভাষণে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি লেবানন সরকারের প্রতি একটি বিশেষ অনুরোধ রেখেছেন। তিনি হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রমের ওপর আরোপিত বিদ্যমান সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান। হিজবুল্লাহর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধের ময়দানে প্রতিরোধ গড়ে তোলাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য এবং তারা কোনো ধরনের আপস করতে রাজি নয়।
এর আগে একই দিনে চার সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে ওয়াশিংটনের দেওয়া প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধ কখন এবং কীভাবে শেষ হবে তা কেবল ইরানের নিজস্ব শর্ত ও সময়সূচি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যুদ্ধের সমাপ্তি নির্ধারণ করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও ইরানের জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, ওয়াশিংটন বর্তমানে যে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে তা আসলে যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের পরাজয়ের বাস্তবতাকে আড়াল করার একটি চেষ্টা মাত্র। ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী আলোচনার অভিজ্ঞতাকে ‘মার্কিন প্রতারণা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তেহরান জানিয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা শত্রুর ওপর ‘চরম আঘাত’ হেনে প্রতিরক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। ইরান ও হিজবুল্লাহর এই অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করার পর একই পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। বুধবার এক টেলিভিশন ভাষণে হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম স্পষ্ট করেছেন যে, ইসরায়েলি হামলা ও গোলাবর্ষণ চলাকালীন কোনো আলোচনায় বসার অর্থ হলো ‘চাপিয়ে দেওয়া আত্মসমর্পণ’। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের যোদ্ধারা যেকোনো মূল্যে ‘সীমাহীন’ লড়াই চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।
নাঈম কাসেম তার ভাষণে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি লেবানন সরকারের প্রতি একটি বিশেষ অনুরোধ রেখেছেন। তিনি হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রমের ওপর আরোপিত বিদ্যমান সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান। হিজবুল্লাহর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধের ময়দানে প্রতিরোধ গড়ে তোলাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য এবং তারা কোনো ধরনের আপস করতে রাজি নয়।
এর আগে একই দিনে চার সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে ওয়াশিংটনের দেওয়া প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধ কখন এবং কীভাবে শেষ হবে তা কেবল ইরানের নিজস্ব শর্ত ও সময়সূচি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যুদ্ধের সমাপ্তি নির্ধারণ করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও ইরানের জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, ওয়াশিংটন বর্তমানে যে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে তা আসলে যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের পরাজয়ের বাস্তবতাকে আড়াল করার একটি চেষ্টা মাত্র। ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী আলোচনার অভিজ্ঞতাকে ‘মার্কিন প্রতারণা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তেহরান জানিয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা শত্রুর ওপর ‘চরম আঘাত’ হেনে প্রতিরক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। ইরান ও হিজবুল্লাহর এই অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন