ঢাকা নিউজ

সৌদির জ্বালানি অবকাঠামোতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা



সৌদির জ্বালানি অবকাঠামোতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে নতুন করে প্রায় ৩০টি ড্রোন ও একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় রিয়াদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের মোট তেল ও জ্বালানি মজুদের ৭০ শতাংশই এই পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, যা দেশটির অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি।

ইরান অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে। তেহরানের এই কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হলো জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত করে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখা। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ছাড়াও লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী ইয়ানবুতেও একই ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী।

এই ধারাবাহিক হামলা কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতির ওপরও বিশাল চাপ সৃষ্টি করছে। জ্বালানি মজুদের কেন্দ্রে এই ধরনের সামরিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরির পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটাচ্ছে। তেহরানের এই পদক্ষেপকে সামরিক বিশেষজ্ঞরা যুদ্ধের কৌশলগত আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

পরিকল্পিত এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি আরব দেশগুলোর অর্থনৈতিক হৃদপিণ্ডে আঘাত হানার এই ঘটনাপ্রবাহ বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এখন চরম ঝুঁকির মুখে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬


সৌদির জ্বালানি অবকাঠামোতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে নতুন করে প্রায় ৩০টি ড্রোন ও একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় রিয়াদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের মোট তেল ও জ্বালানি মজুদের ৭০ শতাংশই এই পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, যা দেশটির অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি।

ইরান অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে। তেহরানের এই কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হলো জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত করে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখা। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ছাড়াও লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী ইয়ানবুতেও একই ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী।

এই ধারাবাহিক হামলা কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতির ওপরও বিশাল চাপ সৃষ্টি করছে। জ্বালানি মজুদের কেন্দ্রে এই ধরনের সামরিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরির পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটাচ্ছে। তেহরানের এই পদক্ষেপকে সামরিক বিশেষজ্ঞরা যুদ্ধের কৌশলগত আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

পরিকল্পিত এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটির পাশাপাশি আরব দেশগুলোর অর্থনৈতিক হৃদপিণ্ডে আঘাত হানার এই ঘটনাপ্রবাহ বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এখন চরম ঝুঁকির মুখে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ