মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে ইরান একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে অত্যন্ত আগ্রহী হলেও তারা বিষয়টি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে। বুধবার ওয়াশিংটনে রিপাবলিকান পার্টির এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেহরান আশঙ্কা করছে যে আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করলে তারা নিজেদের দেশের কট্টরপন্থী অথবা মার্কিন বাহিনীর হাতে প্রাণ হারাতে পারে।
ট্রাম্পের মতে, বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যে ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে তা নজিরবিহীন এবং এর ফলেই তেহরান এখন আলোচনার টেবিলে বসতে উদগ্রীব হয়ে আছে। হোয়াইট হাউস থেকেও জানানো হয়েছে যে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি প্রক্রিয়া বা আলোচনার পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি এবং পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে পাকিস্তানে একটি বিশেষ বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা চালাচ্ছে যার মূল উদ্দেশ্য হলো ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য একটি কার্যকর পথ খুঁজে বের করা। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্বীকার করেছেন যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদান চলছে, তবে তিনি একে প্রথাগত আলোচনা হিসেবে গণ্য করতে নারাজ।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল যাতে বিশ্ববাসীকে দেখানো যায় যে তাঁর কঠোর নীতি ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করছে। তবে তেহরান রাশিয়ার মতো মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করায় এই যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে এখনো সংশয় রয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে ইরান একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে অত্যন্ত আগ্রহী হলেও তারা বিষয়টি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে। বুধবার ওয়াশিংটনে রিপাবলিকান পার্টির এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেহরান আশঙ্কা করছে যে আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করলে তারা নিজেদের দেশের কট্টরপন্থী অথবা মার্কিন বাহিনীর হাতে প্রাণ হারাতে পারে।
ট্রাম্পের মতে, বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যে ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে তা নজিরবিহীন এবং এর ফলেই তেহরান এখন আলোচনার টেবিলে বসতে উদগ্রীব হয়ে আছে। হোয়াইট হাউস থেকেও জানানো হয়েছে যে, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি প্রক্রিয়া বা আলোচনার পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি এবং পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে পাকিস্তানে একটি বিশেষ বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা চালাচ্ছে যার মূল উদ্দেশ্য হলো ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য একটি কার্যকর পথ খুঁজে বের করা। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্বীকার করেছেন যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদান চলছে, তবে তিনি একে প্রথাগত আলোচনা হিসেবে গণ্য করতে নারাজ।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল যাতে বিশ্ববাসীকে দেখানো যায় যে তাঁর কঠোর নীতি ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করছে। তবে তেহরান রাশিয়ার মতো মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করায় এই যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে এখনো সংশয় রয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন