যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধরত ইরানকে ড্রোন, খাদ্য, ওষুধ এবং ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সরাসরি সহযোগিতা করছে রাশিয়া। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানকে কৌশলগত ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে ক্রেমলিন।
বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, যুদ্ধজাহাজ এবং গুরুত্বপূর্ণ সেনাস্থাপনাগুলোর সুনির্দিষ্ট অবস্থান সম্পর্কে ইরানকে তথ্য দিচ্ছে রুশ গোয়েন্দারা। এছাড়া চলতি মার্চ মাসের শেষ নাগাদ ড্রোনের প্রথম বড় একটি চালান ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান বিস্তৃত কৌশলগত চুক্তির আওতায় এই সহযোগিতা কার্যক্রম চলছে। উল্লেখ্য যে, ২০২৩ সাল থেকে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইরানি ড্রোন ব্যবহার করছে এবং রাশিয়ার ভেতরেও এসব ড্রোন উৎপাদন শুরু হয়েছে।
পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর এই তথ্যের বিষয়ে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বর্তমানে চারদিকে প্রচুর ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে, তবে যুদ্ধের শুরু থেকে ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গে রাশিয়ার নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত থাকার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধরত ইরানকে ড্রোন, খাদ্য, ওষুধ এবং ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সরাসরি সহযোগিতা করছে রাশিয়া। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানকে কৌশলগত ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে ক্রেমলিন।
বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, যুদ্ধজাহাজ এবং গুরুত্বপূর্ণ সেনাস্থাপনাগুলোর সুনির্দিষ্ট অবস্থান সম্পর্কে ইরানকে তথ্য দিচ্ছে রুশ গোয়েন্দারা। এছাড়া চলতি মার্চ মাসের শেষ নাগাদ ড্রোনের প্রথম বড় একটি চালান ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান বিস্তৃত কৌশলগত চুক্তির আওতায় এই সহযোগিতা কার্যক্রম চলছে। উল্লেখ্য যে, ২০২৩ সাল থেকে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইরানি ড্রোন ব্যবহার করছে এবং রাশিয়ার ভেতরেও এসব ড্রোন উৎপাদন শুরু হয়েছে।
পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর এই তথ্যের বিষয়ে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বর্তমানে চারদিকে প্রচুর ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে, তবে যুদ্ধের শুরু থেকে ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গে রাশিয়ার নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত থাকার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন