রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ নদীর প্রায় ৮০ থেকে ৯০ ফুট গভীর থেকে তলিয়ে যাওয়া বাসটি ওপরে তুলে এনেছে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, বাসটি একপর্যায়ে পন্টুনের নিচে আটকে গিয়েছিল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল থেকে ১৬ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আরও ৫টি লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আরও ২টি মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশু, নারী ও বাসের চালকও রয়েছেন। তবে একজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ১১ জন যাত্রী সাঁতরে বা অন্য উপায়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। নিখোঁজদের সন্ধানে এবং বাসটি উদ্ধারে ঘটনার পরপরই দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে জোরালো অভিযান শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নিহতদের তালিকায় রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, গোপালগঞ্জ ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা রয়েছেন। পরিচয় পাওয়া নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রেহেনা আক্তার, মর্জিনা খাতুন, রাজীব বিশ্বাস, জহুরা অন্তি, কাজী সাইফ, মর্জিনা আক্তার, শিশু ইস্রাফিল ও সাফিয়া আক্তারসহ আরও অনেকে। বাসের চালক আরমান খানের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে।
ঢাকা নিউজ/তাশফি

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ নদীর প্রায় ৮০ থেকে ৯০ ফুট গভীর থেকে তলিয়ে যাওয়া বাসটি ওপরে তুলে এনেছে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, বাসটি একপর্যায়ে পন্টুনের নিচে আটকে গিয়েছিল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল থেকে ১৬ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আরও ৫টি লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আরও ২টি মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশু, নারী ও বাসের চালকও রয়েছেন। তবে একজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ১১ জন যাত্রী সাঁতরে বা অন্য উপায়ে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। নিখোঁজদের সন্ধানে এবং বাসটি উদ্ধারে ঘটনার পরপরই দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে জোরালো অভিযান শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নিহতদের তালিকায় রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, গোপালগঞ্জ ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা রয়েছেন। পরিচয় পাওয়া নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রেহেনা আক্তার, মর্জিনা খাতুন, রাজীব বিশ্বাস, জহুরা অন্তি, কাজী সাইফ, মর্জিনা আক্তার, শিশু ইস্রাফিল ও সাফিয়া আক্তারসহ আরও অনেকে। বাসের চালক আরমান খানের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে।
ঢাকা নিউজ/তাশফি

আপনার মতামত লিখুন