ঢাকা নিউজ

প্রাণভয়ে গোপনে চুক্তি করতে চাইছে ইরান: ডোনাল্ড ট্রাম্প



প্রাণভয়ে গোপনে চুক্তি করতে চাইছে ইরান: ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান গোপনে ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে অত্যন্ত আগ্রহী হলেও নিজেদের কট্টরপন্থী জনগণ বা মার্কিন বাহিনীর হাতে প্রাণ হারানোর ভয়ে তা প্রকাশ করতে পারছে না। বুধবার রিপাবলিকান কংগ্রেসনাল ডিনারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, চলমান সংঘাতের ফলে ইরান বর্তমানে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতেই তারা আলোচনার টেবিলে বসতে উদগ্রীব হয়ে আছে।

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে কিছু বার্তা আদান-প্রদান হলেও এই মুহূর্তে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসার ইচ্ছা তেহরানের নেই। আরাগচি বর্তমান পরিস্থিতিকে ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করে প্রতিরোধের নীতি বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল সম্পদ রক্ষা ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত হাজার হাজার মেরিন ও এয়ারবোর্ন সেনা মোতায়েন করছে। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, ইরান যদি নিজেদের সামরিক পরাজয় স্বীকার না করে, তবে তাদের ওপর ভয়াবহ শক্তি প্রয়োগ করা হবে। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে এবং তা ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে।

এদিকে ট্রাম্প বর্তমান সামরিক অভিযানের সময়সীমা চার থেকে ছয় সপ্তাহ হতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন এবং এই পরিস্থিতির কারণে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক স্থগিত করেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান এই সংকটে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের মতো শীর্ষ কর্মকর্তাদের নাম আলোচনার সূত্রে উঠে এসেছে। তবে তেহরান মার্কিন এই বক্তব্যগুলোকে বিভ্রান্তিকর আখ্যা দিয়ে তাদের অবস্থান অনড় রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬


প্রাণভয়ে গোপনে চুক্তি করতে চাইছে ইরান: ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান গোপনে ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে অত্যন্ত আগ্রহী হলেও নিজেদের কট্টরপন্থী জনগণ বা মার্কিন বাহিনীর হাতে প্রাণ হারানোর ভয়ে তা প্রকাশ করতে পারছে না। বুধবার রিপাবলিকান কংগ্রেসনাল ডিনারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, চলমান সংঘাতের ফলে ইরান বর্তমানে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতেই তারা আলোচনার টেবিলে বসতে উদগ্রীব হয়ে আছে।

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ট্রাম্পের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে কিছু বার্তা আদান-প্রদান হলেও এই মুহূর্তে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসার ইচ্ছা তেহরানের নেই। আরাগচি বর্তমান পরিস্থিতিকে ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করে প্রতিরোধের নীতি বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল সম্পদ রক্ষা ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত হাজার হাজার মেরিন ও এয়ারবোর্ন সেনা মোতায়েন করছে। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, ইরান যদি নিজেদের সামরিক পরাজয় স্বীকার না করে, তবে তাদের ওপর ভয়াবহ শক্তি প্রয়োগ করা হবে। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে এবং তা ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে।

এদিকে ট্রাম্প বর্তমান সামরিক অভিযানের সময়সীমা চার থেকে ছয় সপ্তাহ হতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন এবং এই পরিস্থিতির কারণে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক স্থগিত করেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান এই সংকটে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের মতো শীর্ষ কর্মকর্তাদের নাম আলোচনার সূত্রে উঠে এসেছে। তবে তেহরান মার্কিন এই বক্তব্যগুলোকে বিভ্রান্তিকর আখ্যা দিয়ে তাদের অবস্থান অনড় রেখেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ