মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাতের মাঝে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ ছয়টি ‘বন্ধু দেশকে’ বিশেষ নিরাপত্তা ও নিরাপদ পথ নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। বুধবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে জানান, পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী প্রণালীটি পুরোপুরি বন্ধ নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য এটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
আরাগচি স্পষ্ট করেছেন যে, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশও এই তালিকায় রয়েছে। তিনি জানান, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করছে এবং যাদের তারা ‘বন্ধু’ হিসেবে বিবেচনা করে, তাদের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে সশস্ত্র বাহিনী পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে ভারতের দুটি জাহাজ এই পথ দিয়ে নিরাপদে পার হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
তবে শত্রু বা বিরোধী দেশগুলোর জন্য এই পথ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে। আরাগচি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং বর্তমান যুদ্ধে লিপ্ত নির্দিষ্ট কিছু উপসাগরীয় দেশের জাহাজকে কোনোভাবেই এই প্রণালী অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না। তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধাবস্থা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শত্রু ও তাদের মিত্রদের এই কৌশলগত পথ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ব্যাপক জোরদার হয়েছে, যার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহন প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে। লয়েডস লিস্টের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত প্রতিদিন ১২০টি জাহাজ চলাচল করলেও চলতি মাসে ২৫ দিনে মাত্র ১৫৫টি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করতে পেরেছে। এই সংকটের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাতের মাঝে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ ছয়টি ‘বন্ধু দেশকে’ বিশেষ নিরাপত্তা ও নিরাপদ পথ নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। বুধবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে জানান, পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী প্রণালীটি পুরোপুরি বন্ধ নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য এটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
আরাগচি স্পষ্ট করেছেন যে, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশও এই তালিকায় রয়েছে। তিনি জানান, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করছে এবং যাদের তারা ‘বন্ধু’ হিসেবে বিবেচনা করে, তাদের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে সশস্ত্র বাহিনী পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছে। ইতোমধ্যে ভারতের দুটি জাহাজ এই পথ দিয়ে নিরাপদে পার হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
তবে শত্রু বা বিরোধী দেশগুলোর জন্য এই পথ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে। আরাগচি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং বর্তমান যুদ্ধে লিপ্ত নির্দিষ্ট কিছু উপসাগরীয় দেশের জাহাজকে কোনোভাবেই এই প্রণালী অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না। তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘যুদ্ধাবস্থা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শত্রু ও তাদের মিত্রদের এই কৌশলগত পথ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ব্যাপক জোরদার হয়েছে, যার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহন প্রায় ৯৫ শতাংশ কমে গেছে। লয়েডস লিস্টের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত প্রতিদিন ১২০টি জাহাজ চলাচল করলেও চলতি মাসে ২৫ দিনে মাত্র ১৫৫টি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করতে পেরেছে। এই সংকটের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন