আগামী মে মাসে চীন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ আট বছর পর এটিই হবে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম বেইজিং সফর। ইরান যুদ্ধের উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে এর আগে নির্ধারিত এই সফরটি স্থগিত করা হয়েছিল।
বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি আগামী ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফর করবেন। একইসঙ্গে চলতি বছরের শেষের দিকে ওয়াশিংটন সফরের জন্য তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে আমন্ত্রণ জানাবেন বলেও জানান।
ঐতিহাসিক এই সফরের প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে বৈঠকটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে তিনি এই সফরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য দিতে পারেনি ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস।
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনর্গঠনের এই প্রচেষ্টা বিভিন্ন কারণে বারবার পিছিয়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারিতে শুল্ক আরোপে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত হওয়া এবং ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্ত হওয়া বেইজিংয়ের সঙ্গে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছিল।
২০১৭ সালে ট্রাম্পের শেষ চীন সফরের পর এটিই হবে দুই নেতার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা বাণিজ্য বিষয়ে একটি সাময়িক সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
আগামী মে মাসে চীন সফরে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ আট বছর পর এটিই হবে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম বেইজিং সফর। ইরান যুদ্ধের উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে এর আগে নির্ধারিত এই সফরটি স্থগিত করা হয়েছিল।
বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি আগামী ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফর করবেন। একইসঙ্গে চলতি বছরের শেষের দিকে ওয়াশিংটন সফরের জন্য তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে আমন্ত্রণ জানাবেন বলেও জানান।
ঐতিহাসিক এই সফরের প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে বৈঠকটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে তিনি এই সফরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য দিতে পারেনি ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস।
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনর্গঠনের এই প্রচেষ্টা বিভিন্ন কারণে বারবার পিছিয়ে গিয়েছিল। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারিতে শুল্ক আরোপে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা সীমিত হওয়া এবং ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্ত হওয়া বেইজিংয়ের সঙ্গে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছিল।
২০১৭ সালে ট্রাম্পের শেষ চীন সফরের পর এটিই হবে দুই নেতার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা বাণিজ্য বিষয়ে একটি সাময়িক সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন