ইরান গোপনে ওয়াশিংটনের সাথে সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়ার ভয়ে তা প্রকাশ করছে না বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান কংগ্রেসনাল ডিনারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, ইরানের প্রতিনিধিরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়, কিন্তু নিজেদের লোকজনের হাতে বা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে প্রাণ হারানোর ভয়ে তারা বিষয়টি গোপন রাখছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, চলমান সংঘাতের ফলে ইরান বর্তমানে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার পথে রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে কোনো ধরনের আলোচনায় যাওয়ার ইচ্ছা তেহরানের নেই। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিভিন্ন বন্ধুরাষ্ট্রের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা তাদের কাছে পৌঁছালেও সেটিকে কোনোভাবেই আলোচনা বা সংলাপ বলা যায় না। তিনি এই সংঘাতকে ইসরায়েলের যুদ্ধের অংশ হিসেবে বর্ণনা করে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরেন।
এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে হোয়াইট হাউস। এয়ারবোর্ন ইউনিট ও মেরিন বাহিনীসহ অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে, যা হরমুজ প্রণালী বা ইরানের তেল সম্পদ নিয়ন্ত্রণে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সতর্ক করে বলেছেন, ইরান পরাজয় স্বীকার না করলে যুক্তরাষ্ট্র ভয়াবহ শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, পর্দার আড়ালে ফলপ্রসূ যোগাযোগ চলছে।
বর্তমান পরিস্থিতিকে 'যুদ্ধ' না বলে 'সামরিক অভিযান' হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা করেছেন। এই অভিযানের সম্ভাব্য সময়সীমা চার থেকে ছয় সপ্তাহ হতে পারে উল্লেখ করে তিনি চীনের প্রেসিডেন্টের সাথে নির্ধারিত বৈঠকও স্থগিত করেছেন। অন্যদিকে কূটনৈতিক অঙ্গনে খবর চাউর হয়েছে যে, পাকিস্তান এই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে। তবে ইরান তাদের অবস্থানে অনড় থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এই সকল দাবিকে বিভ্রান্তিকর ও প্রতিরক্ষামূলক বলে আখ্যা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
ইরান গোপনে ওয়াশিংটনের সাথে সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়ার ভয়ে তা প্রকাশ করছে না বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান কংগ্রেসনাল ডিনারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, ইরানের প্রতিনিধিরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়, কিন্তু নিজেদের লোকজনের হাতে বা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে প্রাণ হারানোর ভয়ে তারা বিষয়টি গোপন রাখছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, চলমান সংঘাতের ফলে ইরান বর্তমানে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার পথে রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে কোনো ধরনের আলোচনায় যাওয়ার ইচ্ছা তেহরানের নেই। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিভিন্ন বন্ধুরাষ্ট্রের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা তাদের কাছে পৌঁছালেও সেটিকে কোনোভাবেই আলোচনা বা সংলাপ বলা যায় না। তিনি এই সংঘাতকে ইসরায়েলের যুদ্ধের অংশ হিসেবে বর্ণনা করে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরেন।
এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে হোয়াইট হাউস। এয়ারবোর্ন ইউনিট ও মেরিন বাহিনীসহ অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে, যা হরমুজ প্রণালী বা ইরানের তেল সম্পদ নিয়ন্ত্রণে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সতর্ক করে বলেছেন, ইরান পরাজয় স্বীকার না করলে যুক্তরাষ্ট্র ভয়াবহ শক্তি প্রয়োগ করতে পারে। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, পর্দার আড়ালে ফলপ্রসূ যোগাযোগ চলছে।
বর্তমান পরিস্থিতিকে 'যুদ্ধ' না বলে 'সামরিক অভিযান' হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা করেছেন। এই অভিযানের সম্ভাব্য সময়সীমা চার থেকে ছয় সপ্তাহ হতে পারে উল্লেখ করে তিনি চীনের প্রেসিডেন্টের সাথে নির্ধারিত বৈঠকও স্থগিত করেছেন। অন্যদিকে কূটনৈতিক অঙ্গনে খবর চাউর হয়েছে যে, পাকিস্তান এই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে। তবে ইরান তাদের অবস্থানে অনড় থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এই সকল দাবিকে বিভ্রান্তিকর ও প্রতিরক্ষামূলক বলে আখ্যা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন