মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় নতুন করে তেলের দাম আরও ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০৭ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার থেকেই তেলের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। যদিও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে ব্যবসায়ীরা পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছিলেন, তবে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে আপাতত কোনো আলোচনার পরিকল্পনা তাদের নেই। এর ফলে বাজারে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে এবং তেলের দাম পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
একই সময়ে কৃষ্ণসাগরে রুশ তেলবাহী তুর্কি ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ১৩ ডলার বেড়ে ১০৩ দশমিক ৩৫ ডলারে উঠেছিল, যা পরবর্তীতে আরও বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দামও ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৯১ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছায়।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে কূটনৈতিক সমাধানের ক্ষীণ সম্ভাবনা এবং যুদ্ধবিরতি নিয়ে সীমিত আশাবাদ তেলের দামের এই পুনরুত্থানে ভূমিকা রেখেছে। মধ্যপ্রাচ্য কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হওয়ায় এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে জ্বালানি তেলের এই দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও সামরিক সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় নতুন করে তেলের দাম আরও ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০৭ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার থেকেই তেলের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। যদিও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে ব্যবসায়ীরা পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছিলেন, তবে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে আপাতত কোনো আলোচনার পরিকল্পনা তাদের নেই। এর ফলে বাজারে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে এবং তেলের দাম পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
একই সময়ে কৃষ্ণসাগরে রুশ তেলবাহী তুর্কি ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ১৩ ডলার বেড়ে ১০৩ দশমিক ৩৫ ডলারে উঠেছিল, যা পরবর্তীতে আরও বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দামও ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৯১ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছায়।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে কূটনৈতিক সমাধানের ক্ষীণ সম্ভাবনা এবং যুদ্ধবিরতি নিয়ে সীমিত আশাবাদ তেলের দামের এই পুনরুত্থানে ভূমিকা রেখেছে। মধ্যপ্রাচ্য কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হওয়ায় এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে জ্বালানি তেলের এই দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন