ইরানে চলমান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৯৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। ইরানের উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলি জাফারিয়ান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে ২৪০ জন নারী এবং ২১২টি শিশু রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই আগ্রাসনের ফলে দেশটিতে মানবিক বিপর্যয় চরম আকার ধারণ করেছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুদ্ধে এ পর্যন্ত ২৪ হাজার ৮০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার নারী এবং ১ হাজার ৬২১ জন শিশু রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে হতাহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে দেশটির একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৮০টি শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়, যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরান এই হামলার পর থেকে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং পাল্টা জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
বর্তমানে উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দেওয়া এই তথ্য আল জাজিরাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হচ্ছে। যুদ্ধের ভয়াবহতা নিরসনে এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে দাবি উঠলেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
ইরানে চলমান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৯৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। ইরানের উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলি জাফারিয়ান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে ২৪০ জন নারী এবং ২১২টি শিশু রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই আগ্রাসনের ফলে দেশটিতে মানবিক বিপর্যয় চরম আকার ধারণ করেছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুদ্ধে এ পর্যন্ত ২৪ হাজার ৮০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার নারী এবং ১ হাজার ৬২১ জন শিশু রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে হতাহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর আগে দেশটির একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৮০টি শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়, যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরান এই হামলার পর থেকে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং পাল্টা জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
বর্তমানে উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দেওয়া এই তথ্য আল জাজিরাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হচ্ছে। যুদ্ধের ভয়াবহতা নিরসনে এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে দাবি উঠলেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন