সৌদি আরবের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-খেরেজি এবং রিয়াদে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত চ্যাং হুয়া এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বুধবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক পরিস্থিতির সর্বশেষ উন্নয়ন এবং বিদ্যমান সংকট মোকাবিলায় চলমান বিভিন্ন প্রচেষ্টা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থির প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বৈঠকের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল সৌদি আরব ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পর্যালোচনা। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কীভাবে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া যায় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনাগুলো কী হতে পারে, সে বিষয়ে উভয় পক্ষই ইতিবাচক মতবিনিময় করেছেন। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করার উপায়গুলো বৈঠকে গুরুত্বের সাথে উঠে আসে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে এবং শান্তি বজায় রাখতে চীন ও সৌদি আরবের এই কূটনৈতিক তৎপরতাকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। বৈঠকে উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-খেরেজি এবং রিয়াদে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত চ্যাং হুয়া এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বুধবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক পরিস্থিতির সর্বশেষ উন্নয়ন এবং বিদ্যমান সংকট মোকাবিলায় চলমান বিভিন্ন প্রচেষ্টা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থির প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বৈঠকের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল সৌদি আরব ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পর্যালোচনা। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কীভাবে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া যায় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনাগুলো কী হতে পারে, সে বিষয়ে উভয় পক্ষই ইতিবাচক মতবিনিময় করেছেন। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করার উপায়গুলো বৈঠকে গুরুত্বের সাথে উঠে আসে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে এবং শান্তি বজায় রাখতে চীন ও সৌদি আরবের এই কূটনৈতিক তৎপরতাকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। বৈঠকে উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন