ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, একটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি শহরের ওপর আছড়ে পড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এছাড়া শহরের অন্তত ছয়টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে, যার ফলে বেশ কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই সময়ে ইরানি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) একজন ঊর্ধ্বতন নৌ-কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো। চ্যানেল ১২ এবং চ্যানেল ১৪-এর খবর অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার অভিযানের দায়িত্বে থাকা ওই কমান্ডারকে বন্দর আব্বাসে ‘খতম’ করা হয়েছে। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কর্মকর্তার নিহতের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে এই কমান্ডারের নিহতের খবরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত এবং অন্যদিকে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার নিহতের দাবি—এই দুই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও ভয়াবহ রূপ দিতে পারে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এই পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছেন।
বর্তমানে তেল আবিবসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। অন্যদিকে, বন্দর আব্বাসের ঘটনাটি যদি সত্য হয়, তবে ইরানও বড় ধরনের প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, একটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি শহরের ওপর আছড়ে পড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এছাড়া শহরের অন্তত ছয়টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে, যার ফলে বেশ কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই সময়ে ইরানি বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) একজন ঊর্ধ্বতন নৌ-কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো। চ্যানেল ১২ এবং চ্যানেল ১৪-এর খবর অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার অভিযানের দায়িত্বে থাকা ওই কমান্ডারকে বন্দর আব্বাসে ‘খতম’ করা হয়েছে। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কর্মকর্তার নিহতের বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং কৌশলগত অবস্থানের কারণে এই কমান্ডারের নিহতের খবরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত এবং অন্যদিকে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার নিহতের দাবি—এই দুই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও ভয়াবহ রূপ দিতে পারে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এই পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছেন।
বর্তমানে তেল আবিবসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। অন্যদিকে, বন্দর আব্বাসের ঘটনাটি যদি সত্য হয়, তবে ইরানও বড় ধরনের প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজার এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন