ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন ১৭তম দিনে গড়িয়েছে, তবে যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তুতে এসেছে নাটকীয় পরিবর্তন। তেহরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের বদলে এখন ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা। আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথটি বন্ধ করে দেওয়ায় বর্তমানে বিশ্বের মোট জ্বালানির এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অতি-গুরুত্বপূর্ণ পানিপথটি উন্মুক্ত করতে মিত্র দেশ এবং পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সহায়তা চেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন। ট্রাম্পের এই কূটনৈতিক ব্যর্থতা এবং যুদ্ধকৌশল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তীব্র উপহাস করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, যুদ্ধের আগে যা এমনিতেই উন্মুক্ত ছিল, এখন সেই পথটি উন্মুক্ত করাকেই কেন যুদ্ধের মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হচ্ছে।
খাজা আসিফ তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার লক্ষ্য এখন হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার দিকে মোড় নিয়েছে, যা যুদ্ধের সূচনার আগে পুরোপুরি সচল ছিল। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতার চেষ্টা চললেও দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এমন মন্তব্য বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত করা এই সংঘাতের যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহন পথটি অচল হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নেমেছে। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) একটি বিশাল অংশ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুদ্ধের প্রভাবে এই পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়াকে বর্তমান বিশ্বের জন্য অন্যতম বড় অর্থনৈতিক হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন ১৭তম দিনে গড়িয়েছে, তবে যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তুতে এসেছে নাটকীয় পরিবর্তন। তেহরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের বদলে এখন ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা। আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথটি বন্ধ করে দেওয়ায় বর্তমানে বিশ্বের মোট জ্বালানির এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অতি-গুরুত্বপূর্ণ পানিপথটি উন্মুক্ত করতে মিত্র দেশ এবং পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সহায়তা চেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন। ট্রাম্পের এই কূটনৈতিক ব্যর্থতা এবং যুদ্ধকৌশল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তীব্র উপহাস করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে, যুদ্ধের আগে যা এমনিতেই উন্মুক্ত ছিল, এখন সেই পথটি উন্মুক্ত করাকেই কেন যুদ্ধের মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হচ্ছে।
খাজা আসিফ তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার লক্ষ্য এখন হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার দিকে মোড় নিয়েছে, যা যুদ্ধের সূচনার আগে পুরোপুরি সচল ছিল। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতার চেষ্টা চললেও দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এমন মন্তব্য বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত করা এই সংঘাতের যৌক্তিকতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবহন পথটি অচল হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নেমেছে। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) একটি বিশাল অংশ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুদ্ধের প্রভাবে এই পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়াকে বর্তমান বিশ্বের জন্য অন্যতম বড় অর্থনৈতিক হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন