ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান ২৭তম দিনে গড়ালে এবার বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ খুলেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত প্রতিরোধ যোদ্ধাগোষ্ঠী হুথিরা। এতোদিন রণকৌশলগত কারণে নীরব থাকলেও, বর্তমানে তারা তেহরানের হয়ে যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছে। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন হুথি নেতা জানিয়েছেন যে, তারা সামরিকভাবে সব ধরনের বিকল্প নিয়ে প্রস্তুত এবং কেবল ‘জিরো আওয়ার’ বা চূড়ান্ত মুহূর্তের নির্দেশের অপেক্ষায় আছেন।
হুথিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা বর্তমানে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তাদের মতে, এখন পর্যন্ত ইরান এককভাবেই শত্রু পক্ষকে সফলভাবে মোকাবিলা করছে এবং যুদ্ধের মোড় তেহরানের পক্ষেই রয়েছে। তবে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে বা প্রয়োজন মনে করলে তারা নতুন রণক্ষেত্র উন্মুক্ত করতে দ্বিধা করবে না। হুথি নেতৃত্ব উপযুক্ত সময় নির্ধারণের দায়িত্ব তাদের ওপর মহলের ওপর ছেড়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুথিরা যদি এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়, তবে তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হবে লোহিত সাগরের কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালি। ইরান ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এখন যদি সুয়েজ খালের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বাব আল-মান্দেব প্রণালিটিও হুথিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বা সেখানে আক্রমণ শুরু হয়, তবে বৈশ্বিক পণ্য পরিবহন ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বর্তমানে হুথিদের এই হুঁশিয়ারি ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইয়েমেন উপকূলের এই সংকীর্ণ জলপথটি বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ধমনী, যা বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে। জিসিসি দেশগুলোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাঝেই হুথিদের এই সামরিক প্রস্তুতির খবর মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে আরও বহুমুখী ও জটিল করে তুলতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান ২৭তম দিনে গড়ালে এবার বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ খুলেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত প্রতিরোধ যোদ্ধাগোষ্ঠী হুথিরা। এতোদিন রণকৌশলগত কারণে নীরব থাকলেও, বর্তমানে তারা তেহরানের হয়ে যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছে। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন হুথি নেতা জানিয়েছেন যে, তারা সামরিকভাবে সব ধরনের বিকল্প নিয়ে প্রস্তুত এবং কেবল ‘জিরো আওয়ার’ বা চূড়ান্ত মুহূর্তের নির্দেশের অপেক্ষায় আছেন।
হুথিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তারা বর্তমানে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তাদের মতে, এখন পর্যন্ত ইরান এককভাবেই শত্রু পক্ষকে সফলভাবে মোকাবিলা করছে এবং যুদ্ধের মোড় তেহরানের পক্ষেই রয়েছে। তবে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে বা প্রয়োজন মনে করলে তারা নতুন রণক্ষেত্র উন্মুক্ত করতে দ্বিধা করবে না। হুথি নেতৃত্ব উপযুক্ত সময় নির্ধারণের দায়িত্ব তাদের ওপর মহলের ওপর ছেড়ে দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুথিরা যদি এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়, তবে তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হবে লোহিত সাগরের কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালি। ইরান ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এখন যদি সুয়েজ খালের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বাব আল-মান্দেব প্রণালিটিও হুথিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বা সেখানে আক্রমণ শুরু হয়, তবে বৈশ্বিক পণ্য পরিবহন ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বর্তমানে হুথিদের এই হুঁশিয়ারি ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইয়েমেন উপকূলের এই সংকীর্ণ জলপথটি বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ধমনী, যা বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে। জিসিসি দেশগুলোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাঝেই হুথিদের এই সামরিক প্রস্তুতির খবর মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে আরও বহুমুখী ও জটিল করে তুলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন