যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধের আশঙ্কার মুখে ১০ লাখেরও বেশি যোদ্ধা সংগঠিত করেছে ইরান। শুক্রবার দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, আইআরজিসি, বাসিজ বাহিনী এবং নিয়মিত সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই বিশাল বাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
দেশজুড়ে নিয়োগ কেন্দ্রগুলোতে তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরানি সামরিক সূত্রের দাবি, এই বাহিনী তাদের মাটিতে শত্রুপক্ষের যেকোনো অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবং তাদের জন্য ‘ঐতিহাসিক নরক’ তৈরি করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। মার্কিন অভিজাত ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের সেনারা ইতিমধ্যে মোতায়েনের পথে রয়েছে এবং তারা সেখানে অবস্থানরত হাজার হাজার মার্কিন মেরিন সেনার সঙ্গে যোগ দেবে বলে জানা গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে আলোচনা ‘ভালোভাবে এগোচ্ছে’, তবে তেহরান প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। এর মাঝেই ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে ১০টি তেলবাহী জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে, যার মধ্যে কিছু জাহাজে পাকিস্তানের পতাকা ছিল।
চলমান এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় ধরনের আর্থিক ও সামরিক চাপ তৈরি করছে। এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম ১৬ দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে এবং তাদের উন্নত অস্ত্রের মজুত কমে আসায় এখন পুরোনো গোলাবারুদ ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
প্রকাশ্যে একে অপরকে অস্বীকার করলেও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ চালু রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে একদিকে যুদ্ধের ব্যাপক প্রস্তুতি এবং অন্যদিকে গোপন আলোচনা—এই দ্বৈত অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও রহস্যময় করে তুলছে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধের আশঙ্কার মুখে ১০ লাখেরও বেশি যোদ্ধা সংগঠিত করেছে ইরান। শুক্রবার দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, আইআরজিসি, বাসিজ বাহিনী এবং নিয়মিত সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই বিশাল বাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
দেশজুড়ে নিয়োগ কেন্দ্রগুলোতে তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরানি সামরিক সূত্রের দাবি, এই বাহিনী তাদের মাটিতে শত্রুপক্ষের যেকোনো অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবং তাদের জন্য ‘ঐতিহাসিক নরক’ তৈরি করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে। মার্কিন অভিজাত ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের সেনারা ইতিমধ্যে মোতায়েনের পথে রয়েছে এবং তারা সেখানে অবস্থানরত হাজার হাজার মার্কিন মেরিন সেনার সঙ্গে যোগ দেবে বলে জানা গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে আলোচনা ‘ভালোভাবে এগোচ্ছে’, তবে তেহরান প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। এর মাঝেই ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে ১০টি তেলবাহী জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে, যার মধ্যে কিছু জাহাজে পাকিস্তানের পতাকা ছিল।
চলমান এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় ধরনের আর্থিক ও সামরিক চাপ তৈরি করছে। এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম ১৬ দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে এবং তাদের উন্নত অস্ত্রের মজুত কমে আসায় এখন পুরোনো গোলাবারুদ ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
প্রকাশ্যে একে অপরকে অস্বীকার করলেও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ চালু রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে একদিকে যুদ্ধের ব্যাপক প্রস্তুতি এবং অন্যদিকে গোপন আলোচনা—এই দ্বৈত অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও রহস্যময় করে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন