ইসরাইলের সামরিক নেতৃত্ব ও বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের পক্ষ থেকে এক ভয়াবহ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে যে, বহুমুখী যুদ্ধের প্রবল চাপে ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এখন ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সৈন্য সংকট এবং সুনির্দিষ্ট রণকৌশলের অভাবকে এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ইসরাইলি সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির নিরাপত্তা ক্যাবিনেটকে সরাসরি জানিয়েছেন যে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী বর্তমানে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। তার মতে, সংরক্ষিত সেনারা ক্রমাগত পঞ্চম ও ষষ্ঠ দফা রোটেশনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চরম ক্লান্ত ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন, যা দেশের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিরোধী দলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ এক টেলিভিশন বার্তায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত সৈন্য ছাড়াই সেনাবাহিনীকে বহুমুখী যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, আইডিএফ-এর ব্যবহারের সীমা ছাড়িয়ে গেছে এবং সরকার আহত সেনাদের যুদ্ধক্ষেত্রে এক প্রকার ফেলে রাখছে।
ইসরাইলি সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি দেফ্রিনও লেবানন, পশ্চিম তীর, গাজা ও সিরিয়া সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্যের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করেছেন। বিশেষ করে লেবানন সীমান্তে সামনের প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করতে আরও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধ সেনার জরুরি চাহিদা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই সংকট উত্তরণে ইয়ার লাপিদ আল্ট্রা-অর্থোডক্স হারেদি সম্প্রদায়কে বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। ১৯৪৮ সাল থেকে ধর্মীয় কারণে সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি পাওয়া এই সম্প্রদায়ের যারা ড্রাফট ফাঁকি দেবে, তাদের সরকারি অর্থায়ন বন্ধসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বর্তমানে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা এবং চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরাইলের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে এই অভ্যন্তরীণ স্বীকারোক্তি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে নতুন ও জটিল এক মাত্রায় নিয়ে গেছে।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
ইসরাইলের সামরিক নেতৃত্ব ও বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের পক্ষ থেকে এক ভয়াবহ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে যে, বহুমুখী যুদ্ধের প্রবল চাপে ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এখন ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সৈন্য সংকট এবং সুনির্দিষ্ট রণকৌশলের অভাবকে এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা।
ইসরাইলি সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির নিরাপত্তা ক্যাবিনেটকে সরাসরি জানিয়েছেন যে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী বর্তমানে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। তার মতে, সংরক্ষিত সেনারা ক্রমাগত পঞ্চম ও ষষ্ঠ দফা রোটেশনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চরম ক্লান্ত ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন, যা দেশের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিরোধী দলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ এক টেলিভিশন বার্তায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত সৈন্য ছাড়াই সেনাবাহিনীকে বহুমুখী যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, আইডিএফ-এর ব্যবহারের সীমা ছাড়িয়ে গেছে এবং সরকার আহত সেনাদের যুদ্ধক্ষেত্রে এক প্রকার ফেলে রাখছে।
ইসরাইলি সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি দেফ্রিনও লেবানন, পশ্চিম তীর, গাজা ও সিরিয়া সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্যের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করেছেন। বিশেষ করে লেবানন সীমান্তে সামনের প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করতে আরও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধ সেনার জরুরি চাহিদা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই সংকট উত্তরণে ইয়ার লাপিদ আল্ট্রা-অর্থোডক্স হারেদি সম্প্রদায়কে বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। ১৯৪৮ সাল থেকে ধর্মীয় কারণে সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি পাওয়া এই সম্প্রদায়ের যারা ড্রাফট ফাঁকি দেবে, তাদের সরকারি অর্থায়ন বন্ধসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বর্তমানে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা এবং চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরাইলের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে এই অভ্যন্তরীণ স্বীকারোক্তি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে নতুন ও জটিল এক মাত্রায় নিয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন