ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক গুরুতর অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে, চলমান ইরান-ইসরাইল ও মার্কিন যুদ্ধের মধ্যে পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক কর্মীরা স্থানীয় নাগরিকদের 'মানব ঢাল' হিসেবে ব্যবহার করছেন। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন। আরাগচির মতে, যুদ্ধের শুরু থেকেই মার্কিন সেনারা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি ছেড়ে বিভিন্ন হোটেল ও বাণিজ্যিক দপ্তরে আশ্রয় নিয়েছেন, যা ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক তার পোস্টে মার্কিন সেনাদের হোটেলে অবস্থানের বিভিন্ন সংবাদপত্রের কাটিং ও ছবি যুক্ত করে দেখান যে, যুক্তরাষ্ট্রে অনেক হোটেল কর্তৃপক্ষ নিয়মিত গ্রাহকদের নিরাপত্তার স্বার্থে এমন সামরিক কর্মকর্তাদের বুকিং বাতিল করছে। তিনি পরামর্শ দেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের হোটেলগুলোরও উচিত নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষায় একই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা। আরাগচির এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে এক নজিরবিহীন যুদ্ধ শুরু হয়েছে।
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের জবাবে ইরান ইতিমধ্যে অধিকৃত অঞ্চল এবং আঞ্চলিক মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানের দাবি, মার্কিন সেনারা তাদের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা থেকে বাঁচতেই সাধারণ মানুষের জনাকীর্ণ স্থানে লুকিয়ে থাকছে। এই সংঘাতের ফলে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক উভয় খাতের অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
আরাগচির এই নতুন অভিযোগ আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে এবং জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে ইরানের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা কৌশল কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক গুরুতর অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে, চলমান ইরান-ইসরাইল ও মার্কিন যুদ্ধের মধ্যে পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক কর্মীরা স্থানীয় নাগরিকদের 'মানব ঢাল' হিসেবে ব্যবহার করছেন। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন। আরাগচির মতে, যুদ্ধের শুরু থেকেই মার্কিন সেনারা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি ছেড়ে বিভিন্ন হোটেল ও বাণিজ্যিক দপ্তরে আশ্রয় নিয়েছেন, যা ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক তার পোস্টে মার্কিন সেনাদের হোটেলে অবস্থানের বিভিন্ন সংবাদপত্রের কাটিং ও ছবি যুক্ত করে দেখান যে, যুক্তরাষ্ট্রে অনেক হোটেল কর্তৃপক্ষ নিয়মিত গ্রাহকদের নিরাপত্তার স্বার্থে এমন সামরিক কর্মকর্তাদের বুকিং বাতিল করছে। তিনি পরামর্শ দেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের হোটেলগুলোরও উচিত নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষায় একই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা। আরাগচির এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যে এক নজিরবিহীন যুদ্ধ শুরু হয়েছে।
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের জবাবে ইরান ইতিমধ্যে অধিকৃত অঞ্চল এবং আঞ্চলিক মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানের দাবি, মার্কিন সেনারা তাদের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা থেকে বাঁচতেই সাধারণ মানুষের জনাকীর্ণ স্থানে লুকিয়ে থাকছে। এই সংঘাতের ফলে ইরানের সামরিক ও বেসামরিক উভয় খাতের অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
আরাগচির এই নতুন অভিযোগ আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে এবং জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে ইরানের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর নিরাপত্তা কৌশল কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন