মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। সৌদি আরবের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে (PSAB) শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই আকস্মিক হামলায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। রিয়াদ থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি বড় অংশ মোতায়েন রয়েছে।
প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আত্মঘাতী ড্রোন ঘাঁটির নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। হামলার তীব্রতায় ঘাঁটির আবাসন এলাকা এবং কিছু লজিস্টিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত মার্কিন সেনাদের দ্রুত উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
বিবৃতিতে ইরান দাবি করেছে, এটি তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের একটি "কঠোর জবাব"। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে যে, আঞ্চলিক কোনো দেশ যদি তাদের মাটি মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহারের অনুমতি দেয়, তবে সেই দেশকেও যুদ্ধের পরিণতি ভোগ করতে হবে। বিশেষ করে সৌদি আরবের মাটিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন তেহরানের সরাসরি নিশানায় রয়েছে।
এই হামলার পর সৌদি আরব এবং পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছেন। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এখন আর কেবল ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। সৌদি আরবের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে (PSAB) শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই আকস্মিক হামলায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। রিয়াদ থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি বড় অংশ মোতায়েন রয়েছে।
প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আত্মঘাতী ড্রোন ঘাঁটির নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। হামলার তীব্রতায় ঘাঁটির আবাসন এলাকা এবং কিছু লজিস্টিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত মার্কিন সেনাদের দ্রুত উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
বিবৃতিতে ইরান দাবি করেছে, এটি তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের একটি "কঠোর জবাব"। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে যে, আঞ্চলিক কোনো দেশ যদি তাদের মাটি মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহারের অনুমতি দেয়, তবে সেই দেশকেও যুদ্ধের পরিণতি ভোগ করতে হবে। বিশেষ করে সৌদি আরবের মাটিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো এখন তেহরানের সরাসরি নিশানায় রয়েছে।
এই হামলার পর সৌদি আরব এবং পুরো পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছেন। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এখন আর কেবল ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে।

আপনার মতামত লিখুন