ইরানের একটি হেভি-ওয়াটার কেন্দ্র ও পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। শুক্রবার রাতে এই হামলার পরপরই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) এক কঠোর বিবৃতিতে পাল্টাপাল্টি হামলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।
বিপ্লবী গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান এবং ইসরায়েলি মালিকানাধীন ভারী শিল্প কারখানাগুলোকে লক্ষ্য করে তাদের এই পাল্টা অভিযান শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের সাধারণ কর্মীদের প্রাণহানি এড়াতে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তেহরান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হামলা শেষ হওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে কেউ যেন প্রবেশ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। এর আগে ইরান বারবার সতর্ক করেছিল যে তাদের কৌশলগত স্থাপনায় কোনো আঘাত এলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে। সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশটি সেই হুঁশিয়ারিরই বাস্তবায়ন ঘটাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে সামরিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বিনিয়োগ থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এই হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
ইরানের একটি হেভি-ওয়াটার কেন্দ্র ও পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। শুক্রবার রাতে এই হামলার পরপরই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) এক কঠোর বিবৃতিতে পাল্টাপাল্টি হামলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।
বিপ্লবী গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান এবং ইসরায়েলি মালিকানাধীন ভারী শিল্প কারখানাগুলোকে লক্ষ্য করে তাদের এই পাল্টা অভিযান শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের সাধারণ কর্মীদের প্রাণহানি এড়াতে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তেহরান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হামলা শেষ হওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে কেউ যেন প্রবেশ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। এর আগে ইরান বারবার সতর্ক করেছিল যে তাদের কৌশলগত স্থাপনায় কোনো আঘাত এলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে। সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশটি সেই হুঁশিয়ারিরই বাস্তবায়ন ঘটাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে সামরিক বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বিনিয়োগ থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এই হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে

আপনার মতামত লিখুন