ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে সংযোগকারী কৌশলগত জোজিলা পাসে এক ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনায় অন্তত ৭ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার শ্রীনগর-লেহ হাইওয়ে এনএইচ-১ এর লাদাখ অংশে এই বিপর্যয়টি ঘটে। তুষারধসের কবলে পড়ে বেশ কয়েকটি যাত্রীবাহী গাড়ি মুহূর্তেই বরফের নিচে চাপা পড়ে যায় বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর ৪৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি বর্তমানে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বরফের স্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রশাসন বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্দেশে দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী ও বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও) বর্তমানে দুর্ঘটনাস্থলে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় কাজ করছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহতদের সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিআরও এবং পুলিশ সদস্যরা এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ জীবিত আটকে আছে কি না, তা খুঁজে দেখছেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১ হাজার ৫৭৫ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই বিপজ্জনক জোজিলা পাস শীতকালে প্রায়ই তুষারপাতের কারণে বন্ধ থাকে।
এই অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থাকে নিরাপদ ও বছরজুড়ে সচল রাখতে বর্তমানে জোজিলা পাসের নিচ দিয়ে একটি বিশাল টানেল নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে লাদাখের সঙ্গে ভারতের মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ আরও সহজ হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে যাত্রীদের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে সংযোগকারী কৌশলগত জোজিলা পাসে এক ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনায় অন্তত ৭ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার শ্রীনগর-লেহ হাইওয়ে এনএইচ-১ এর লাদাখ অংশে এই বিপর্যয়টি ঘটে। তুষারধসের কবলে পড়ে বেশ কয়েকটি যাত্রীবাহী গাড়ি মুহূর্তেই বরফের নিচে চাপা পড়ে যায় বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর ৪৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি বর্তমানে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বরফের স্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রশাসন বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্দেশে দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী ও বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও) বর্তমানে দুর্ঘটনাস্থলে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় কাজ করছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহতদের সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিআরও এবং পুলিশ সদস্যরা এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ জীবিত আটকে আছে কি না, তা খুঁজে দেখছেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১ হাজার ৫৭৫ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই বিপজ্জনক জোজিলা পাস শীতকালে প্রায়ই তুষারপাতের কারণে বন্ধ থাকে।
এই অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থাকে নিরাপদ ও বছরজুড়ে সচল রাখতে বর্তমানে জোজিলা পাসের নিচ দিয়ে একটি বিশাল টানেল নির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে লাদাখের সঙ্গে ভারতের মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ আরও সহজ হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে যাত্রীদের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন