ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিমুখী যুদ্ধে এবার ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধারা সরাসরি জড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রপথগুলোতে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী ইতিমধ্যে কার্যত অবরুদ্ধ থাকায় এবার লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের প্রবেশপথ ‘বাব আল-মান্দেব’ বন্ধ হয়ে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। দোহা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহামাদ এলমাসরি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, হুথিরা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়, তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য সুয়েজ খালও অচল হয়ে পড়বে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুথিদের এই যুদ্ধংদেহী অবস্থান ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নজিরবিহীন চাপ তৈরি করছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হিজবুল্লাহ ও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বলয় ভেদ করতে সক্ষম হয়েছে; এখন দক্ষিণ দিক থেকে ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবিলা করা তেল আবিবের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলবে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক নৌপথ একসঙ্গে বন্ধ হয়ে গেলে জ্বালানি তেল ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল।
তবে রাজনৈতিকভাবে এই যুদ্ধ বিস্তারকে ইসরায়েল ইতিবাচক হিসেবে দেখতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চান যাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে না যান। নিজেদের লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল এই আঞ্চলিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে মার্কিন প্রশাসনকে যুদ্ধের ময়দানে ধরে রাখার কৌশল নিতে পারে, যা পুরো বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিমুখী যুদ্ধে এবার ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধারা সরাসরি জড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রপথগুলোতে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী ইতিমধ্যে কার্যত অবরুদ্ধ থাকায় এবার লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের প্রবেশপথ ‘বাব আল-মান্দেব’ বন্ধ হয়ে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। দোহা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহামাদ এলমাসরি আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, হুথিরা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়, তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অপরিহার্য সুয়েজ খালও অচল হয়ে পড়বে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুথিদের এই যুদ্ধংদেহী অবস্থান ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নজিরবিহীন চাপ তৈরি করছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হিজবুল্লাহ ও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বলয় ভেদ করতে সক্ষম হয়েছে; এখন দক্ষিণ দিক থেকে ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবিলা করা তেল আবিবের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলবে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক নৌপথ একসঙ্গে বন্ধ হয়ে গেলে জ্বালানি তেল ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল।
তবে রাজনৈতিকভাবে এই যুদ্ধ বিস্তারকে ইসরায়েল ইতিবাচক হিসেবে দেখতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চান যাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে না যান। নিজেদের লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল এই আঞ্চলিক অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে মার্কিন প্রশাসনকে যুদ্ধের ময়দানে ধরে রাখার কৌশল নিতে পারে, যা পুরো বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন