একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো ভয়াবহ ‘অপারেশন সার্চলাইট’কে ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য ও সুপরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করে বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ভারত। শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে ১৯৭১ সালের সেই পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের বিচার চেয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানো হয়। নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে বলেছে, লাখো নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি এবং মা-বোনদের ওপর চালানো পাশবিক নির্যাতনের সেই ক্ষত আজও বিশ্ববিবেকে বড় আঘাত হিসেবে রয়ে গেছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল দিল্লিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ১৯৭১ সালের সেই ভয়াবহ নৃশংসতা কোটি কোটি মানুষকে শরণার্থী হিসেবে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য করেছিল। পাকিস্তান আজ পর্যন্ত তাদের এই জঘন্য অপরাধের কথা অস্বীকার করে আসছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি ২৫শে মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্মরণ করে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে ভারত জানিয়েছে, ন্যায়বিচার পাওয়ার এই লড়াইয়ে তারা ঢাকার পাশে অটল রয়েছে।
তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে চালানো সেই পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের কথা স্মরণ করে প্রতি বছর এই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালন করা হয়। ভারত সরকার মনে করে, একাত্তরের সেই সুপরিকল্পিত নিধনযজ্ঞ কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র মানবতার ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। সূত্র হিসেবে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, বাংলাদেশের এই ন্যায়বিচারের দাবিতে ভারতের এই প্রকাশ্য সমর্থন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো ভয়াবহ ‘অপারেশন সার্চলাইট’কে ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য ও সুপরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করে বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ভারত। শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে ১৯৭১ সালের সেই পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের বিচার চেয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানো হয়। নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে বলেছে, লাখো নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি এবং মা-বোনদের ওপর চালানো পাশবিক নির্যাতনের সেই ক্ষত আজও বিশ্ববিবেকে বড় আঘাত হিসেবে রয়ে গেছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল দিল্লিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ১৯৭১ সালের সেই ভয়াবহ নৃশংসতা কোটি কোটি মানুষকে শরণার্থী হিসেবে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য করেছিল। পাকিস্তান আজ পর্যন্ত তাদের এই জঘন্য অপরাধের কথা অস্বীকার করে আসছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি ২৫শে মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্মরণ করে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে ভারত জানিয়েছে, ন্যায়বিচার পাওয়ার এই লড়াইয়ে তারা ঢাকার পাশে অটল রয়েছে।
তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে চালানো সেই পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের কথা স্মরণ করে প্রতি বছর এই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালন করা হয়। ভারত সরকার মনে করে, একাত্তরের সেই সুপরিকল্পিত নিধনযজ্ঞ কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র মানবতার ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। সূত্র হিসেবে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, বাংলাদেশের এই ন্যায়বিচারের দাবিতে ভারতের এই প্রকাশ্য সমর্থন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

আপনার মতামত লিখুন