ঢাকা নিউজ

হরমুজ প্রণালিতে থাই জাহাজের অভয়দান: ইরানের সঙ্গে থাইল্যান্ডের চুক্তি



হরমুজ প্রণালিতে থাই জাহাজের অভয়দান: ইরানের সঙ্গে থাইল্যান্ডের চুক্তি
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে নিজেদের তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে একটি বিশেষ সমঝোতায় পৌঁছেছে থাইল্যান্ড। শনিবার (২৮ মার্চ) ব্যাংককে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির কথা ঘোষণা করেন। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট উদ্বেগ কাটাতে এই কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে থাই সরকার।

প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল জানান, এই চুক্তির ফলে থাইল্যান্ডের তেল ট্যাংকারগুলো কোনো প্রকার বাধা বা আক্রমণের শিকার না হয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে। বর্তমান উত্তাল পরিস্থিতিতে এই সমঝোতা থাইল্যান্ডের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং আমদানিকৃত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খনিজ তেল এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা থাইল্যান্ডের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে যখন একের পর এক জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং কুয়েতি তেলের দাম ১১৮ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, তখন ইরানের কাছ থেকে এমন বিশেষ অনুমতি পাওয়া থাইল্যান্ডের জন্য এক বড় কূটনৈতিক বিজয়। ইরান বর্তমানে এই জলপথটির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখায় অনেক দেশই তাদের জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। এমতাবস্থায় থাইল্যান্ডের এই চুক্তি অন্যান্য দেশকেও তেহরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে উৎসাহিত করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬


হরমুজ প্রণালিতে থাই জাহাজের অভয়দান: ইরানের সঙ্গে থাইল্যান্ডের চুক্তি

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে নিজেদের তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ইরানের সঙ্গে একটি বিশেষ সমঝোতায় পৌঁছেছে থাইল্যান্ড। শনিবার (২৮ মার্চ) ব্যাংককে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির কথা ঘোষণা করেন। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে সৃষ্ট উদ্বেগ কাটাতে এই কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে থাই সরকার।

প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল জানান, এই চুক্তির ফলে থাইল্যান্ডের তেল ট্যাংকারগুলো কোনো প্রকার বাধা বা আক্রমণের শিকার না হয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারবে। বর্তমান উত্তাল পরিস্থিতিতে এই সমঝোতা থাইল্যান্ডের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং আমদানিকৃত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খনিজ তেল এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা থাইল্যান্ডের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে যখন একের পর এক জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং কুয়েতি তেলের দাম ১১৮ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, তখন ইরানের কাছ থেকে এমন বিশেষ অনুমতি পাওয়া থাইল্যান্ডের জন্য এক বড় কূটনৈতিক বিজয়। ইরান বর্তমানে এই জলপথটির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখায় অনেক দেশই তাদের জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। এমতাবস্থায় থাইল্যান্ডের এই চুক্তি অন্যান্য দেশকেও তেহরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে উৎসাহিত করতে পারে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ