মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে ইতিমধ্যে ‘শাসন পরিবর্তন’ সম্পন্ন হয়েছে এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশটির পারমাণবিক স্থাপনা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় মিয়ামিতে একটি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তার মতে, ইরানের আর কোনো বিমানবাহিনী বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অবশিষ্ট নেই এবং তাদের ৩ হাজার ৪৫০টি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্প তার ভাষণে আরও দাবি করেন, মার্কিন অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন এবং তার পুত্র গুরুতর আহত। ইরানকে একটি ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো শীঘ্রই তেহরানের চাপ থেকে মুক্ত হবে। এছাড়া সৌদি আরব, কাতার ও আমিরাতের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তবে ভাষণের সবচেয়ে আলোচিত অংশ ছিল কিউবা নিয়ে ট্রাম্পের সরাসরি হুঁশিয়ারি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরানের পর ‘কিউবা হবে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী লক্ষ্য’। নিজের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এই বাহিনী ব্যবহারের প্রয়োজন হলে তিনি পিছুপা হবেন না। একইসঙ্গে ন্যাটো দেশগুলো হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তায় সহায়তা না দেওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে তাদের প্রতিরক্ষায় ওয়াশিংটন আর কোটি কোটি ডলার ব্যয় করতে বাধ্য নয়।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে ইতিমধ্যে ‘শাসন পরিবর্তন’ সম্পন্ন হয়েছে এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশটির পারমাণবিক স্থাপনা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় মিয়ামিতে একটি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তার মতে, ইরানের আর কোনো বিমানবাহিনী বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অবশিষ্ট নেই এবং তাদের ৩ হাজার ৪৫০টি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্প তার ভাষণে আরও দাবি করেন, মার্কিন অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হয়েছেন এবং তার পুত্র গুরুতর আহত। ইরানকে একটি ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো শীঘ্রই তেহরানের চাপ থেকে মুক্ত হবে। এছাড়া সৌদি আরব, কাতার ও আমিরাতের ওপর ইরানের হামলাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তবে ভাষণের সবচেয়ে আলোচিত অংশ ছিল কিউবা নিয়ে ট্রাম্পের সরাসরি হুঁশিয়ারি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরানের পর ‘কিউবা হবে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী লক্ষ্য’। নিজের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এই বাহিনী ব্যবহারের প্রয়োজন হলে তিনি পিছুপা হবেন না। একইসঙ্গে ন্যাটো দেশগুলো হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তায় সহায়তা না দেওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে তাদের প্রতিরক্ষায় ওয়াশিংটন আর কোটি কোটি ডলার ব্যয় করতে বাধ্য নয়।

আপনার মতামত লিখুন