ইরানের সঙ্গে চলমান ছায়াযুদ্ধ ও সরাসরি সংঘাতের জেরে এখন পর্যন্ত ৩০০-এর বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)। মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ৩০৩ জন মার্কিন সেনা বিভিন্ন মাত্রায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। তবে স্বস্তির খবর হলো, আহতদের মধ্যে ২৭৩ জন ইতিমধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুনরায় নিজেদের দায়িত্ব পালনে ফিরে গেছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি-র তথ্যমতে, আহতদের মধ্যে ১০ জন সেনার অবস্থা এখনো গুরুতর। এছাড়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৭ জন পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে এবং ৬ জন ইরাকে মোতায়েনরত অবস্থায় নিহত হন। অন্যদিকে, ইরান সরকার তাদের ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ না করলেও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি মানবাধিকার গোষ্ঠী দাবি করেছে, যুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ১,১৬৭ জন ইরানি সেনা নিহত হয়েছেন এবং আরও ৬৬৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ইরানের একটি নতুন হুমকির কারণে। ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র আবোলফাজল শেখারচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ঘোষণা করেছেন যে, মার্কিন সেনারা যেসব হোটেলে অবস্থান করবে, সেগুলোকে এখন থেকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সরাসরি হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে। তেহরানের এমন কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন কূটনৈতিক ও সামরিক কর্মীদের নিরাপত্তা ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান ছায়াযুদ্ধ ও সরাসরি সংঘাতের জেরে এখন পর্যন্ত ৩০০-এর বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)। মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ৩০৩ জন মার্কিন সেনা বিভিন্ন মাত্রায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। তবে স্বস্তির খবর হলো, আহতদের মধ্যে ২৭৩ জন ইতিমধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুনরায় নিজেদের দায়িত্ব পালনে ফিরে গেছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি-র তথ্যমতে, আহতদের মধ্যে ১০ জন সেনার অবস্থা এখনো গুরুতর। এছাড়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে ৭ জন পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে এবং ৬ জন ইরাকে মোতায়েনরত অবস্থায় নিহত হন। অন্যদিকে, ইরান সরকার তাদের ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ না করলেও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি মানবাধিকার গোষ্ঠী দাবি করেছে, যুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ১,১৬৭ জন ইরানি সেনা নিহত হয়েছেন এবং আরও ৬৬৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ইরানের একটি নতুন হুমকির কারণে। ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র আবোলফাজল শেখারচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ঘোষণা করেছেন যে, মার্কিন সেনারা যেসব হোটেলে অবস্থান করবে, সেগুলোকে এখন থেকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সরাসরি হামলার লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে। তেহরানের এমন কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন কূটনৈতিক ও সামরিক কর্মীদের নিরাপত্তা ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন