ঢাকা নিউজ

ইসরায়েলি আগ্রাসনের চরম প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত তেহরান



ইসরায়েলি আগ্রাসনের চরম প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত তেহরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলার পর কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অত্যন্ত কড়া ভাষায় তিনি জানিয়েছেন, দেশের প্রধান দুটি ইস্পাত কারখানা, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বেসামরিক পারমাণবিক অবকাঠামোতে চালানো এই আঘাতের জন্য ইসরায়েলকে কঠিন মূল্য দিতে হবে। আরাগচি এই হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সমন্বয় ও দায় রয়েছে বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এই সামরিক অভিযানটি খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্ধারিত কূটনৈতিক সমাধানের সময়সীমা লঙ্ঘন করে পরিচালিত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের প্রাণহানির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিতে যে বৃহৎ পরিসরে হামলা শুরু করেছে, এটি তারই ধারাবাহিকতা। এই দীর্ঘায়িত সংঘাতের ফলে ইরানে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও ইতোমধ্যে তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করে আক্রমণাত্মক ভূমিকা গ্রহণ করেছে। দখলকৃত বিভিন্ন অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে তেহরান। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।

সংঘাতের এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার এই সন্ধিক্ষণে তেহরানের পক্ষ থেকে আসা এমন কঠোর ঘোষণা এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ নিকট ভবিষ্যতে থামার কোনো লক্ষণ নেই। আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ ছাপিয়ে ইরান এখন তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং শত্রুপক্ষকে চরম শিক্ষা দিতে সম্মুখ সমরের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬


ইসরায়েলি আগ্রাসনের চরম প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত তেহরান

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলার পর কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অত্যন্ত কড়া ভাষায় তিনি জানিয়েছেন, দেশের প্রধান দুটি ইস্পাত কারখানা, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বেসামরিক পারমাণবিক অবকাঠামোতে চালানো এই আঘাতের জন্য ইসরায়েলকে কঠিন মূল্য দিতে হবে। আরাগচি এই হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সমন্বয় ও দায় রয়েছে বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এই সামরিক অভিযানটি খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্ধারিত কূটনৈতিক সমাধানের সময়সীমা লঙ্ঘন করে পরিচালিত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের প্রাণহানির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিতে যে বৃহৎ পরিসরে হামলা শুরু করেছে, এটি তারই ধারাবাহিকতা। এই দীর্ঘায়িত সংঘাতের ফলে ইরানে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও ইতোমধ্যে তাদের রণকৌশল পরিবর্তন করে আক্রমণাত্মক ভূমিকা গ্রহণ করেছে। দখলকৃত বিভিন্ন অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে তেহরান। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।

সংঘাতের এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার এই সন্ধিক্ষণে তেহরানের পক্ষ থেকে আসা এমন কঠোর ঘোষণা এটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ নিকট ভবিষ্যতে থামার কোনো লক্ষণ নেই। আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ ছাপিয়ে ইরান এখন তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং শত্রুপক্ষকে চরম শিক্ষা দিতে সম্মুখ সমরের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ