ওমানের সালালাহ বন্দরের অদূরে অবস্থানরত একটি মার্কিন লজিস্টিকস জাহাজকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সালালাহ বন্দরের কাছাকাছি এলাকায় মোতায়েন করা যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত ‘আগ্রাসী বাহিনীকে’ রসদ ও সহায়তা প্রদানকারী ওই জাহাজটিকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ইরান দাবি করেছে, জাহাজটি বন্দর থেকে উল্লেখযোগ্য দূরত্বে অবস্থান করছিল এবং সেখানেই অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ হওয়ার দিনে এই হামলাকে তেহরানের পক্ষ থেকে একটি বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ওমান উপকূলের মতো গুরুত্বপূর্ণ জলসীমায় মার্কিন জাহাজে আঘাত হানার ঘটনা ওই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের সামরিক উপস্থিতির জন্য একটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।
তবে ওমান উপকূলে সংঘটিত এই ভয়াবহ হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বা হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এই নীরবতা এবং হামলার ধরন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পারস্য উপসাগর থেকে শুরু করে ওমান সাগর পর্যন্ত পুরো জলপথ এখন যুদ্ধের এক নতুন ও বিপজ্জনক ফ্রন্টে পরিণত হয়েছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
ওমানের সালালাহ বন্দরের অদূরে অবস্থানরত একটি মার্কিন লজিস্টিকস জাহাজকে লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সালালাহ বন্দরের কাছাকাছি এলাকায় মোতায়েন করা যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত ‘আগ্রাসী বাহিনীকে’ রসদ ও সহায়তা প্রদানকারী ওই জাহাজটিকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ইরান দাবি করেছে, জাহাজটি বন্দর থেকে উল্লেখযোগ্য দূরত্বে অবস্থান করছিল এবং সেখানেই অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ হওয়ার দিনে এই হামলাকে তেহরানের পক্ষ থেকে একটি বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ওমান উপকূলের মতো গুরুত্বপূর্ণ জলসীমায় মার্কিন জাহাজে আঘাত হানার ঘটনা ওই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের সামরিক উপস্থিতির জন্য একটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।
তবে ওমান উপকূলে সংঘটিত এই ভয়াবহ হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বা হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এই নীরবতা এবং হামলার ধরন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পারস্য উপসাগর থেকে শুরু করে ওমান সাগর পর্যন্ত পুরো জলপথ এখন যুদ্ধের এক নতুন ও বিপজ্জনক ফ্রন্টে পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন