সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক আস্তানা এবং ইউক্রেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ড্রোন বিধ্বংসী ব্যবস্থার ডিপো লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান। শনিবার বিকেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানি সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড নিশ্চিত করেছে যে, তাদের নিখুঁত আক্রমণে ওই ডিপোটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানি সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, দুবাইয়ে মার্কিন কমান্ডার ও সৈন্যদের গোপন আস্তানাগুলোই ছিল এই হামলার মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীকে কারিগরি সহায়তা প্রদানের জন্য সেখানে মোতায়েন করা ইউক্রেনীয় ড্রোন বিধ্বংসী ব্যবস্থাটিকেও টার্গেট করা হয়। এই হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমা শক্তির সামরিক বলয়কে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল তেহরান।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, এই হামলাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক অঘোষিত সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন। আমিরাতের প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতার চুক্তিতে সই করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান এই বিধ্বংসী ড্রোন হামলার তথ্য প্রকাশ্যে আনল।
আমিরাতের আগে জেলেনস্কি সৌদি আরব সফর করেন এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে আবদ্ধ হন। ওই চুক্তি অনুযায়ী ইরানের ড্রোন হামলা প্রতিহতে ইউক্রেনের কারিগরি সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল, যা তেহরানকে এই আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে প্ররোচিত করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক আস্তানা এবং ইউক্রেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ড্রোন বিধ্বংসী ব্যবস্থার ডিপো লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইরান। শনিবার বিকেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানি সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড নিশ্চিত করেছে যে, তাদের নিখুঁত আক্রমণে ওই ডিপোটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানি সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, দুবাইয়ে মার্কিন কমান্ডার ও সৈন্যদের গোপন আস্তানাগুলোই ছিল এই হামলার মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীকে কারিগরি সহায়তা প্রদানের জন্য সেখানে মোতায়েন করা ইউক্রেনীয় ড্রোন বিধ্বংসী ব্যবস্থাটিকেও টার্গেট করা হয়। এই হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমা শক্তির সামরিক বলয়কে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল তেহরান।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, এই হামলাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক অঘোষিত সফরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন। আমিরাতের প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতার চুক্তিতে সই করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান এই বিধ্বংসী ড্রোন হামলার তথ্য প্রকাশ্যে আনল।
আমিরাতের আগে জেলেনস্কি সৌদি আরব সফর করেন এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে আবদ্ধ হন। ওই চুক্তি অনুযায়ী ইরানের ড্রোন হামলা প্রতিহতে ইউক্রেনের কারিগরি সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল, যা তেহরানকে এই আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে প্ররোচিত করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন