কুয়েতের একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের একের পর এক ড্রোন হামলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাডার সিস্টেম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। শনিবার সকালে বিমানবন্দরের বিভিন্ন অংশে এই ড্রোনগুলো আঘাত হানলে সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়, যা কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আবদুল্লাহ আল রাজহি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ড্রোন হামলার পরপরই বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে আগুন ধরে যায় এবং রাডার ব্যবস্থাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকার্যকর হয়ে পড়ে। যদিও দ্রুততম সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি, তবে রাডার সিস্টেম বিকল হওয়ায় বিমানবন্দরের সকল ফ্লাইট পরিষেবা বর্তমানে ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরান নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। এই ধারাবাহিকতায় কুয়েতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও বারবার ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এর আগেও একাধিকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান, যা এই অঞ্চলের বিমান চলাচল ও নিরাপত্তার জন্য এক দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ তৈরি করেছে। যুদ্ধের এই বিস্তার কেবল সামরিক ঘাঁটিতে সীমাবদ্ধ না থেকে এখন বেসামরিক যোগাযোগের প্রধান কেন্দ্রগুলোতেও আঘাত হানছে, যার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
কুয়েতের একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের একের পর এক ড্রোন হামলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাডার সিস্টেম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। শনিবার সকালে বিমানবন্দরের বিভিন্ন অংশে এই ড্রোনগুলো আঘাত হানলে সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়, যা কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আবদুল্লাহ আল রাজহি এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ড্রোন হামলার পরপরই বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে আগুন ধরে যায় এবং রাডার ব্যবস্থাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকার্যকর হয়ে পড়ে। যদিও দ্রুততম সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি, তবে রাডার সিস্টেম বিকল হওয়ায় বিমানবন্দরের সকল ফ্লাইট পরিষেবা বর্তমানে ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরান নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। এই ধারাবাহিকতায় কুয়েতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও বারবার ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এর আগেও একাধিকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান, যা এই অঞ্চলের বিমান চলাচল ও নিরাপত্তার জন্য এক দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ তৈরি করেছে। যুদ্ধের এই বিস্তার কেবল সামরিক ঘাঁটিতে সীমাবদ্ধ না থেকে এখন বেসামরিক যোগাযোগের প্রধান কেন্দ্রগুলোতেও আঘাত হানছে, যার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন