সৌদি আরবের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে ইরানের ধারাবাহিক হামলায় গত এক সপ্তাহে অন্তত ২৯ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত শুক্রবার এই ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান ৬টি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৯টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে, যাতে অন্তত ১৫ জন সেনা জখম হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে, যদিও প্রাথমিক মার্কিন প্রতিবেদনগুলোতে আহতের সংখ্যা কিছুটা কম উল্লেখ করা হয়েছিল। এর আগে গত সোমবারও একই ঘাঁটিতে ইরানের চালানো এক আকস্মিক হামলায় আরও ১৪ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছিলেন, যা ওই অঞ্চলে মোতায়েনকৃত মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে।
রিয়াদের দক্ষিণে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিতে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৩২১ জন মার্কিন সৈন্য মোতায়েন রয়েছে, যারা মূলত প্যাট্রিয়ট এবং থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত। গত ১ মার্চ এই ঘাঁটিতে শুরু হওয়া প্রথম দফার হামলায় আহত সার্জেন্ট বেঞ্জামিন এন. পেনিংটন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় মার্কিন শিবিরে শোক ও উত্তেজনা দুই-ই বিরাজ করছে।
হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ঘাঁটি থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তবে ইরানের একের পর এক নিখুঁত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন সরাসরি পরাশক্তিগুলোর সামরিক উপস্থিতিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে ইরানের ধারাবাহিক হামলায় গত এক সপ্তাহে অন্তত ২৯ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গত শুক্রবার এই ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান ৬টি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৯টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে, যাতে অন্তত ১৫ জন সেনা জখম হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে, যদিও প্রাথমিক মার্কিন প্রতিবেদনগুলোতে আহতের সংখ্যা কিছুটা কম উল্লেখ করা হয়েছিল। এর আগে গত সোমবারও একই ঘাঁটিতে ইরানের চালানো এক আকস্মিক হামলায় আরও ১৪ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছিলেন, যা ওই অঞ্চলে মোতায়েনকৃত মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে।
রিয়াদের দক্ষিণে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিতে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৩২১ জন মার্কিন সৈন্য মোতায়েন রয়েছে, যারা মূলত প্যাট্রিয়ট এবং থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত। গত ১ মার্চ এই ঘাঁটিতে শুরু হওয়া প্রথম দফার হামলায় আহত সার্জেন্ট বেঞ্জামিন এন. পেনিংটন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় মার্কিন শিবিরে শোক ও উত্তেজনা দুই-ই বিরাজ করছে।
হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ঘাঁটি থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তবে ইরানের একের পর এক নিখুঁত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত এখন সরাসরি পরাশক্তিগুলোর সামরিক উপস্থিতিকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন