ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটনকে চরম বার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরানের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক 'তেহরান টাইমস' তাদের প্রধান প্রতিবেদনে 'ওয়েলকাম টু হেল' বা 'জাহান্নামে স্বাগতম' শিরোনামে এক নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখে, তবে তারা কেবল কফিনে করেই দেশে ফিরবে। এই কঠোর হুঁশিয়ারির নেপথ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ১০ হাজার সৈন্য মোতায়েনের গোপন পরিকল্পনা, যা ইরানে একটি বড় মাপের স্থল অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছে বিশ্লেষকরা।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করছেন তিনি স্থলযুদ্ধে আগ্রহী নন এবং আলোচনার মাধ্যমেই সংকট সমাধানে বিশ্বাসী, তবে মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বিকল্প বাড়াতে ইতিমধ্যে হাজার হাজার প্যারাট্রুপার ও মেরিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে তেহরান পাল্টা সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থল হামলা শুরু করে তবে তারা ইয়েমেনের হুতি মিত্রদের সরাসরি যুদ্ধে নামাবে এবং লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ অচল করে দেওয়া হবে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
যুদ্ধের এই টানটান উত্তজেনার মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার সময়সীমা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। তবে থেমে নেই ইসরায়েলি বাহিনী। তারা তেহরানের কেন্দ্রস্থলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে এবং লেবাননের বৈরুতেও হিজবুল্লাহর আস্তানায় আঘাত হেনেছে। এর জবাবে হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য এখন এক বিশাল অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটনকে চরম বার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরানের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক 'তেহরান টাইমস' তাদের প্রধান প্রতিবেদনে 'ওয়েলকাম টু হেল' বা 'জাহান্নামে স্বাগতম' শিরোনামে এক নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে পা রাখে, তবে তারা কেবল কফিনে করেই দেশে ফিরবে। এই কঠোর হুঁশিয়ারির নেপথ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত ১০ হাজার সৈন্য মোতায়েনের গোপন পরিকল্পনা, যা ইরানে একটি বড় মাপের স্থল অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছে বিশ্লেষকরা।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করছেন তিনি স্থলযুদ্ধে আগ্রহী নন এবং আলোচনার মাধ্যমেই সংকট সমাধানে বিশ্বাসী, তবে মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বিকল্প বাড়াতে ইতিমধ্যে হাজার হাজার প্যারাট্রুপার ও মেরিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে তেহরান পাল্টা সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থল হামলা শুরু করে তবে তারা ইয়েমেনের হুতি মিত্রদের সরাসরি যুদ্ধে নামাবে এবং লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ অচল করে দেওয়া হবে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
যুদ্ধের এই টানটান উত্তজেনার মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার সময়সীমা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। তবে থেমে নেই ইসরায়েলি বাহিনী। তারা তেহরানের কেন্দ্রস্থলে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে এবং লেবাননের বৈরুতেও হিজবুল্লাহর আস্তানায় আঘাত হেনেছে। এর জবাবে হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য এখন এক বিশাল অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন