অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাকিস্তানের ২০টি বাণিজ্যিক জাহাজকে পার হওয়ার অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে ইরান। রোববার (২৯ মার্চ) পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা নিশ্চিত করেছেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইরান প্রতিদিন পাকিস্তানের দুটি করে জাহাজকে এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ দেবে। ইশহাক দার তেহরানের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও গঠনমূলক হিসেবে অভিহিত করে এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, যা বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার প্রতিবাদে এবং পাল্টা জবাব হিসেবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় তেহরান। এই জলপথটি বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়েই সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ এক মাস ধরে পথটি অবরুদ্ধ থাকায় সারাবিশ্বে জ্বালানি তেলের তীব্র হাহাকার তৈরি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের জন্য এই বিশেষ ছাড় দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করল।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান এই বিধ্বংসী যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলাপ করেন। ওই ফোনালাপে ইরানি প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, যেকোনো আলোচনার আগে বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের কোনো আস্থা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলোচনার টেবিল তৈরির আগে ওয়াশিংটনকে তাদের সদিচ্ছার প্রমাণ দিতে হবে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাকিস্তানের ২০টি বাণিজ্যিক জাহাজকে পার হওয়ার অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে ইরান। রোববার (২৯ মার্চ) পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা নিশ্চিত করেছেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইরান প্রতিদিন পাকিস্তানের দুটি করে জাহাজকে এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ দেবে। ইশহাক দার তেহরানের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও গঠনমূলক হিসেবে অভিহিত করে এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন, যা বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মূলত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার প্রতিবাদে এবং পাল্টা জবাব হিসেবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় তেহরান। এই জলপথটি বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়েই সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ এক মাস ধরে পথটি অবরুদ্ধ থাকায় সারাবিশ্বে জ্বালানি তেলের তীব্র হাহাকার তৈরি হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের জন্য এই বিশেষ ছাড় দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করল।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান এই বিধ্বংসী যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলাপ করেন। ওই ফোনালাপে ইরানি প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, যেকোনো আলোচনার আগে বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের কোনো আস্থা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলোচনার টেবিল তৈরির আগে ওয়াশিংটনকে তাদের সদিচ্ছার প্রমাণ দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন