ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশীয় জ্বালানি আমদানিতে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। উত্তরাঞ্চলে ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে চলতি বছরে চতুর্থ দফায় ভারত থেকে আরও সাত হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর উদ্দেশ্যে এই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি তেলের পাম্পিং শুরু হয়। মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের তথ্যমতে, পাইপলাইনের মাধ্যমে এই তেল গন্তব্যে পৌঁছাতে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগবে এবং আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে পুরো চালানটি পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে জমা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো সূত্র জানিয়েছে, এর আগে গত শুক্রবারও পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই এই পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে এসেছে। ভারত থেকে আসা এই মূল্যবান জ্বালানি তেল বর্তমানে রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। ১৩১ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইন প্রকল্পটি ২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করছে।
আগে খুলনা ও চট্টগ্রাম থেকে রেলওয়াগনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলে তেল আনতে যেখানে ৬ থেকে ৭ দিন সময় লাগত, এখন এই পাইপলাইনের কল্যাণে তা কয়েক ঘণ্টাতেই সম্ভব হচ্ছে। দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ বছর এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে বছরে ২ থেকে ৩ লাখ টন আমদানির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ভবিষ্যতে এটি ১০ লাখ মেট্রিক টন পর্যন্ত উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন কেবল পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় করছে না, বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককেও আরও সুদৃঢ় করছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশীয় জ্বালানি আমদানিতে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে। উত্তরাঞ্চলে ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে চলতি বছরে চতুর্থ দফায় ভারত থেকে আরও সাত হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর উদ্দেশ্যে এই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি তেলের পাম্পিং শুরু হয়। মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের তথ্যমতে, পাইপলাইনের মাধ্যমে এই তেল গন্তব্যে পৌঁছাতে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগবে এবং আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে পুরো চালানটি পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে জমা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো সূত্র জানিয়েছে, এর আগে গত শুক্রবারও পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই এই পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ২২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে এসেছে। ভারত থেকে আসা এই মূল্যবান জ্বালানি তেল বর্তমানে রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে। ১৩১ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইন প্রকল্পটি ২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করছে।
আগে খুলনা ও চট্টগ্রাম থেকে রেলওয়াগনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলে তেল আনতে যেখানে ৬ থেকে ৭ দিন সময় লাগত, এখন এই পাইপলাইনের কল্যাণে তা কয়েক ঘণ্টাতেই সম্ভব হচ্ছে। দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১৫ বছর এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে বছরে ২ থেকে ৩ লাখ টন আমদানির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ভবিষ্যতে এটি ১০ লাখ মেট্রিক টন পর্যন্ত উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন কেবল পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় করছে না, বরং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককেও আরও সুদৃঢ় করছে।

আপনার মতামত লিখুন