ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে আজ রোববার (২৯ মার্চ) পুনরায় শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গত ১২ মার্চ শুরু হওয়া এই সংসদ অধিবেশনটি ঈদ ও অন্যান্য সরকারি ছুটির কারণে ১৫ মার্চ মূলতবি করা হয়েছিল। আজকের সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সরকারি দলের সংসদীয় সভা এবং অধ্যাদেশ সংক্রান্ত সংসদীয় বিশেষ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
অধিবেশনের তৃতীয় দিনে আজ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার কর্মসূচি রয়েছে। এই আলোচনায় সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অংশ নেবেন। এছাড়াও রয়েছে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব, যেখানে জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা হবে। একইসাথে জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ উত্থাপন ও সেগুলোর ওপর আলোচনার মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রম প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংসদের কার্য-উপদেষ্টা কমিটির পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। দীর্ঘ ছুটির পর সংসদের এই ফিরে আসা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন তৎপরতা তৈরি করেছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন ও সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুগুলোতে সংসদ সদস্যদের গঠনমূলক বিতর্ক দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সাধারণ মানুষ। সংসদ সচিবালয় থেকে অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে আজ রোববার (২৯ মার্চ) পুনরায় শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গত ১২ মার্চ শুরু হওয়া এই সংসদ অধিবেশনটি ঈদ ও অন্যান্য সরকারি ছুটির কারণে ১৫ মার্চ মূলতবি করা হয়েছিল। আজকের সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সরকারি দলের সংসদীয় সভা এবং অধ্যাদেশ সংক্রান্ত সংসদীয় বিশেষ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
অধিবেশনের তৃতীয় দিনে আজ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার কর্মসূচি রয়েছে। এই আলোচনায় সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অংশ নেবেন। এছাড়াও রয়েছে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব, যেখানে জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা হবে। একইসাথে জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ উত্থাপন ও সেগুলোর ওপর আলোচনার মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রম প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংসদের কার্য-উপদেষ্টা কমিটির পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। দীর্ঘ ছুটির পর সংসদের এই ফিরে আসা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন তৎপরতা তৈরি করেছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন ও সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুগুলোতে সংসদ সদস্যদের গঠনমূলক বিতর্ক দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সাধারণ মানুষ। সংসদ সচিবালয় থেকে অধিবেশন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন